এটাই হলো বদলে যাওয়া বাংলাদেশ

এক রানে নেই দুই উইকেট। এরপর চোট পেয়ে তামিমের বিদায়। খেলা চলাকালীন খবর পাওয়া গেল তামিমের এশিয়া কাপ শেষ। অর্থাৎ তামিম আর ব্যাট করতে পারবেন না। শুরুটা রীতিমতো দুঃস্বপ্ন ছিলো বাংলাদেশের জন্য। কিন্তু ঠিক তখনই মুশফিক-মিঠুনের লড়াকু জুটি। সেই জুটিতে একশো পার।

মিঠুনের বিদায়ের পর মুশফিকের ‘ওয়ান ম্যান শো’ এবং শেষ দিকে এক হাতে আহত যোদ্দার মতো তামিমের বীরত্ব। আর বোলিংয়ে মাশরাফি-ফিজ-রুবেল-মিরাজদের দুর্দান্ত বোলিং। সবকিছু যেন এক বদলে যাওয়া বাংলাদেশের জলন্ত উদাহরণ।

একবার মাহমুদউল্লাহ বলেছিলেন, ‘বাংলাদেশ ব্র্যান্ড’ ক্রিকেটের কথা। এটাই যেন সেই ‘বাংলাদেশ ব্র্যান্ড’ ক্রিকেট। উইন্ডিজ সফর যেখান থেকে শেষ করেছিলো। সেখান থেকেই এশিয়া কাপে শুরু করল টাইগাররা। এশিয়া কাপের প্রথম ম্যাচে মাশরাফিবাহীনি পেল ১৩৭ রানের বিশাল জয়।

এদিন, বাংলাদেশের দেওয়া ২৬২ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই বিপদে পড়ে শ্রীলঙ্কা। প্রথমে মুস্তাফিজ এবং পরে মাশারফি দুই উইকেট শিকার করেন। এরপর আঘাত হানেন মিরাজ। দশম ওভারের দ্বিতীয় বলে কুশাল পেরেরাকে এলবিডব্লিউয়ের ফাদে ফেলেন মিরাজ। তখন লঙ্কানদের রান ৪২। এরপর ১৮ রান তুলতেই ভুল বোঝাবুঝিতে রান আউট হন শানাকা।

এরপর ৬৩ রানে রুবেলের বলে এলবিডব্লিউ এর ফাঁদে পড়ে নিদায় নেন ম্যাথুজ। একটু পর মিরাজের বলে রুবেলের হাতে ক্যাচ দিয়ে বিদায় নেন থিসারা পেরেরা। কিছুক্ষণ যেতেই লাক্মল বিদায় নেন। শেষ পর্যন্ত ৩৫.২ ওভারে ১০ উইকেট হারিয়ে ১২৪ রান করে শ্রীলঙ্কা। বাংলাদেশ জয় পেল ১৩৭ রানে।