নিজেকে বাঁচাতে চাইলে আজই করুন ২০টি অত্যন্ত সাধারণ কাজ !

সুস্থ থাকতে কে না চায়। আপনি-আমি সবাই চাই। কিন্তু ঠিক কতজন পেরে ওঠে? বিশেষ করে আজকালকার এই স্ট্রেস ভরা জীবন, দূষণ ভরা পরিবেশ ও ভেজাল খাবার যেন আরও অনেক বেশি অসুস্থ করে তুলছে আমাদের। তাহলে উপায়? কোনোই কি পথ নেই সুস্থ থাকার? নিশ্চয়ই আছে! গড়ে তুলুন অত্যন্ত সাধারণ ২০টি অভ্যাস। কিন্তু এই অভ্যাসগুলোই আপনাকে রাখবে চিরকাল সুস্থ, রোগ বালাই থাকবে অনেক দূরে। বাড়াবে কর্মক্ষমতা ও সৌন্দর্য। নিজেকে বাঁচাতে চাইলে আজই গড়ে তুলুন এগুলো।

নিজেকে বাঁচাতে চাইলে আজই করুন ২০টি অত্যন্ত সাধারণ কাজ!
১. আপনি কি প্রতিদিন চা বা কফি খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলেছেন? যদি তা হয়ে থাকে তাহলে আপনার চা বা কফি খাওয়ার আগে ২ গ্লাস পানি খাওয়ার অভ্যাস করুন। এতে করে আপনার দেহে ক্যাফেইন কম কাজ করবে এবং আপনি শারীরিকভাবে সুস্থ থাকবেন।

২. আপনি যদি সুন্দর ত্বক আর ঝকঝকে দাঁত পেতে চান তাহলে অবশ্যই প্রতিদিনের দুপুরে খাবার পরে ফল খাওয়ার চেষ্টা করুন। এই পরিবর্তিত কাজটি আপনার দেহে প্রয়োজনীয় কিছু পুষ্টি প্রদান করবে।

৩. অতিরিক্ত রক্তচাপের হাত থেকে রক্ষার্থে আপনি প্রতিদিনের রান্নায় লবণের পরিমাণ কমিয়ে আনুন। এতে অন্যান্য যেকোনো সমস্যা দূর হয়ে যাবে।

৪. পর্যাপ্ত ঘুম শরীরের জন্য বেশ ভালো। এর ফলে শারীরিক কোনো অসুস্থতা দেখা দেবে না। তাই প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ের আধা ঘন্টা আগে ঘুমিয়ে পড়–ন। এতে করে পরের দিনের সকালটি বেশ ভালো কাটবে।

৫. গান শুনলে শারীরিক এবং মানসিকভাবে সুস্থ থাকা যায়। তাই আপনার প্রতিদিনের কাজের ফাঁকে পছন্দের গানগুলো শুনুন। বিশেষ করে আপনি যখন কোনো ভ্রমণে থাকবেন তখন গান শুনুন।

৬. শারীরিক এবং মানসিকভাবে সুস্থ থাকতে চাইলে আপনি আপনার কাজের শিডিউলে আরেকটি পরিবর্তন আনতে পারেন। আপনি নাচ শিখতে পারেন। নাচ শারীরিকভাবে আপনাকে প্রফুল্ল রাখবে পাশাপাশি মানসিকভাবে প্রশান্তি দেবে।

৭. নিজেকে সবসময় অনেক বেশি আকর্ষণীয় রাখুন। সবসময় পরিপাটি থাকলে মানসিকভাবে অনেক ভালো থাকা যায়। এ কারণে যতটা পারেন অন্যের চোখে আকর্ষণীয় থাকুন।

৮. আপনি যখন কোথাও কেনাকাটা করবেন তখন ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার না করে নগদ অর্থ ব্যবহার করুন। এতে করে আপনি সীমিত খরচ করবেন এবং নানা ধরনের দুশ্চিন্তা থেকে মুক্ত থাকবেন।

৯. ভালো ঘুম এবং সুস্থ শরীরের জন্য আপনি হাঁটাহাটি করুন। তবে প্রতিদিনের হাঁটার মাঝে যে একটু পরিবর্তন আনবেন সেটি হল মাঝে মাঝে সন্ধ্যাতেও হাঁটাহাঁটি করুন।

১০. সুস্থ থাকার জন্য বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন। বই পড়লে অনেক কিছু জানাও যায় ফলে আপনার জীবনের নানা চিন্তা ভাবনার আমূল পরিবর্তন ঘটবে এবং আপনি ভালো থাকবেন।

১১. আপনার জীবন থেকে ‘না’ নামক এই শব্দটি একেবারে বাদ দিয়ে দিন। অর্থাৎ কোনো ব্যাপারেই কখনও না বলবেন না। তাহলে আপনার জীবনে কোনো কাজেই সার্থকতা আসবে না আপনি ভালো থাকবেন না। তাই সবসময় হ্যাঁ বলুন।

১২. কোনো কাজ পরে করার জন্য ফেলে রাখবেন না। এতে করে আপনি অনেক বেশি অলস হয়ে যাবেন পাশাপাশি অসুস্থও হয়ে যাবেন। এ কারণে যখনকার কাজ তখন করুন।

১৩. সবার সাথে সামাজিক যোগাযোগ গড়ে তুলুন। বিশেষ করে আপনার স্কুলের বন্ধুদের সাথে
যোগাযোগ করুন যার ফলে বহুদিন পরে আপনার মনে ভালোলাগার ছোঁয়া চলে আসবে। আপনি সুস্থ থাকবেন।

১৪. আপনি কোনো অফিসে চাকরি করলে দুপুরের খাবারটি বাসা থেকেই নিয়ে যান। এতে করে আপনার অতিরিক্ত অর্থ খরচ হবে না পাশাপাশি স্বাস্থ্যসম্মত খাবারে আপনি সুস্থও থাকবেন।

১৫. বিশেষ কিছু দিন তৈরি করুন। সেটা হতে পারে আপনার প্রিয় বন্ধু বান্ধবের সাথে, হতে পারে অফিসের কলিগের সাথে। তাদের সাথে ভালো কিছু সময় পার করুন।

১৬. নতুন কিছু খান অর্থাৎ আপনার প্রতিদিনের খাবারের তালিকায় নতুন নতুন খাবার ম্যেনু যুক্ত করুন যেগুলো খেয়ে আপনার শরীর ও মন দুই ভালো হয়ে ওঠে কেননা চমকদার খাবার একজন মানুষের মন ভালো করে দিতে পারে।

১৭. আপনার পাশের মানুষটির সাথে কথা বলুন। আপনি সুস্থ থাকবেন তখনই যখন আপনার পাশের মানুষটির সাথে আপনার সম্পর্ক অনেক বেশি ভালো থাকবে। তাই পর্যাপ্ত কথা বলুন তার সাথে।

১৮. শারীরিক এবং মানসিকভাবে সুস্থ থাকার একটি বড় উপায় হল মেডিটেশন করা। এর ফলে শরীরের সমস্ত ক্লান্তি দূর হয় এবং মানসিক কোনো চাপ অনুভূত হয় না। এ কারণে সুস্থ থাকার জন্য এই কাজটিও করুন।

১৯. নিজেকে গুছিয়ে থাকলে আপনি শারীরিকভাবে সুস্থ থাকবেন। তাই গুছিয়ে থাকারও চেষ্টা করুন।

২০. নিজেকে সুস্থ রাখার জন্য যে দারুণ কাজগুলো আপনি করবেন তার মধ্যে আরেকটি হল সবসময় হাসিখুশি থাকবেন। হাসিখুশি থাকলে কোনো রোগবালাই আপনাকে ছুঁতে পারবে না।