জ্বর জ্বর ভাব হলে কখন ওষুধ খাবেন?

এখন যে ভাবে আবহাওয়া ঘন্টায় ঘন্টায় বদলে যাচ্ছে তার ফলে শরীরখারাপে পড়া এমন কিছু অসম্ভব ব্যাপার নয়। শরীরখারাপ বলতে হালকা পাতলা সর্দি-গর্মি, জ্বর এসব। একবার হলে কিন্তু বেশ কিছুদিন আপনার অফিস, স্কুল এমনকি সংসারের কাজেও বাঁধার সৃষ্টি হবে। সুতরাং সেই রিস্ক না নেওয়ায় ভালো। জ্বর হলে প্রাথমিক ভাবে ডাক্তারের কাছে যাওয়াই বুদ্ধিমত্তার পরিচয়। কিন্তু অল্প জ্বরের জন্য ঘরে কিছু ওষুধ এনে রেখে আপনি রেহাই পেতেই পারেন। লক্ষ্য রাখবেন তাপমাত্রা যেন শরীরের স্বাভাবিক তাপমাত্রার সীমার ৩৬.৫–৩৭.৫ °সে (৯৭.৭–৯৯.৫°ফা) অধিক কি না?

শরীরের তাপমাত্রা ১০১ ডিগ্রি ফারেনহাইট না ছাড়ালে জ্বরের ওষুধ না খাওয়াই ভাল। সাধারণ ভাইরাল ফিভার নিজে থেকেই সেরে যাওয়ার কথা। প্রয়োজন কেবল বিশ্রাম আর পর্যাপ্ত খাবার। সাধারণ জ্বর হলে গা হাত পা ব্যথা কমাতে অনেকেই অ্যাসপিরিন বা এই জাতীয় ব্যথার ওষুধ (পেইনকিলার) খান। আর না জেনে বুঝে ওষুধ খেলেই বিপদ।

ডেঙ্গুর মতো মারাত্মক (হেমারেজিক ফিভার) প্রাণঘাতি জ্বরে ব্যথার ওষুধ খেলে তার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া মারাত্মক ক্ষতিকর। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া এই সব ওষুধ খেলে নাক-মুখ দিয়ে বা মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণের ঝুঁকি অনেকটাই বেড়ে যায়।

তিন দিন হয়ে গেলেও যদি জ্বর না কমে, তা হলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী রক্ত পরীক্ষা করিয়ে নিন। কারণ ভাইরাস ঘটিত জ্বর (ভাইরাল ফিভার) হলে দু’-তিন দিনের মধ্যেই তা সেরে যায়।