মাশরাফি ভাই বলেছেন, যুদ্ধে গা বাঁচিয়ে চলা যায় না : মুশফিক

এশিয়া কাপের প্রথম ম্যাচ থেকেই দুর্দান্ত ফর্মে আছেন মুশফিক। পাঁজরের ভাঙা হাড় নিয়েই খেলেছেন একের পর এক বিধ্বংসী ইনিংস। গতকালও এর ব্যতিক্রম ঘটেনি ৯৯ রান করে ম্যাচ সেরাও হয়েছেন মুশফিক। তাঁরর ও মিঠুনের ১৪৪ রানের পার্টনারশিপেই ঘুরে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ।

কিন্তু মাশরাফি কীভাবে উদ্দীপ্ত করেছিলেন মুশফিকুর রহিম সে কথাই জানালেন ম্যাচ পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে, ‘মাশরাফি ভাই সবাইকে একটা কথাই বলেছেন, আমরা যখন যুদ্ধে নেমে যাই তখন পেছনে তাকানোর সুযোগ নেই। যুদ্ধে নেমে গা বাঁচিয়ে চলা যায় না। হয় মারবেন না হয় মরবেন, যে কোনো একটা। এটা আমাদের অনুপ্রাণিত করেছে। আমরা ফলাফল নিয়ে ভাবিনি। শতভাগ দেওয়া নিয়ে ভেবেছি। সবাই সবার শতভাগ দিতে পারলে দিন শেষে আমরাই জয় পাব’

এদিকে গতকালও বেশকিছু দুর্দান্ত ফিল্ডিং করেছে বাংলাদেশ। পাজরের চোট নিয়েই মোস্তাফিজের বলে দুর্দান্ত একটি ক্যাচ ধরেছিলেন মুশফিক। এছাড়াও মাশরাফিও শোয়েব মালিককে ‘সুপারম্যান’ ক্যাচে আউট করেন। গোটা এশিয়াকাপ জুড়েই দুর্দান্ত শোয়েব মালিকের ক্যাচটা যে কতোটা গুরুত্বপূর্ণ ছিল সেটি বেশ রসিকতার সুরে জানালেন মুশফিক, ‘তাঁকে আউট করাটা গুরুত্বপূর্ণ ছিল। আর ক্যাচটা তো অবশ্যই দুর্দান্ত ছিল। আল্লাহর রহমতে আমরা বুড়ো বয়সেও দু-একটা ভালো ক্যাচ ধরতে পারছি। সেদিক থেকে অনেক খুশি, মাশরাফি ভাইও খুশি, আমিও।’

গত চারবারের তিনবারই এশিয়া কাপের ফাইনালিস্ট বাংলাদেশ। কিন্তু বারবার ফাইনালে গিয়েই স্বপ্নভঙ্গ হয়েছে বাংলাদেশের। এবারের শিরোপা নিতে পারবে কি বাংলাদেশ এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘সম্ভব তো অবশ্যই। মানুষ আশায় বাঁচে। লক্ষ্য ছিল এশিয়া কাপের ফাইনাল খেলব। তারপর চ্যাম্পিয়নশিপ ম্যাচে আমরা আমদের বেষ্ট ক্রিকেট খেলতে পারলে যে কোনো কিছু হতে পারে।

আমাদের সামনে খুব ভালো সুযোগ আছে। আর ভারতের মতো দলকে হারানো অসম্ভব কিছু না। আমরা এর আগেও ওদের হারিয়েছি। এটা ঠিক, আমরা ধারাবাহিকভাবে তাদের সঙ্গে ভালো ক্রিকেট খেলতে পারিনি। আর এটাও ভুললে চলবে না, তাঁরা কিন্তু ওয়ানডের সেরা দুই দলের একটি। আমরা যদি আমাদের বেসিকটা ঠিক রেখে পারফর্ম করতে পারি তাহলে তাদের হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়া সম্ভব।’