লন্ডনের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করলেন তামিম

এই এশিয়া কাপের জন্য অনেক ত্যাগ স্বীকার করেছিলেন তামিম ইকবাল। ঈদের ছুটিতে বাংলাদেশ জাতীয় দলের ক্রিকেটাররা যখন দেশের বাড়িতে ব্যস্ত তখন ঢাকায় একাই অনুশীলন চালিয়ে গিয়েছিলেন তামিম ইকবাল। লক্ষ্য ছিল একটাই ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজের ফর্মটা এশিয়া কাপে ধরে রাখতে চান তামিম। দলকে এনে দিতে চান এশিয়া কাপের শিরোপা। কিন্তু ভাগ্যের কাছে হেরে গেলেন তামিম ইকবাল এশিয়া কাপের প্রথম ম্যাচে শ্রীলংকার বিপক্ষে হাতের কব্জিতে চোট পান তামিম। এরপর এই দেশে ফেরেন তামিম ইকবাল। চিকিৎসার জন্য তাকে এখন যেতে হচ্ছে লন্ডনে।

আজ সকাল এগারটায় কাতার এয়ারওয়েজে লন্ডন যাচ্ছেন তামিম। ঢাকা থেকে দোহা, দোহা থেকে লন্ডন। লন্ডনে পৌঁছার পর কাল ব্রিটিশ সময় দুুপুর ১২টায় সাউথহ্যাম্পটনে একটি ক্লিনিকে ডাক্তারের সঙ্গে দেখা করবেন দেশসেরা ওপেনার।

ডাক্তারের সঙ্গে দেখা করা নিয়ে তামিম বলেন, ‘আমি জানি না, ডাক্তার কি দেখে কি বলবেন। সেটা দেখার পর ডাক্তারই আসলে বলতে পারবেন কি করণীয়। তবে আমি ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত থাকার প্রস্তুতি নিয়ে যাচ্ছি। বাকিটা নির্ভর করবে চিকিৎসকের অভিমত ও পরামর্শর উপর। পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও চিকিৎসার কারণে যদি বেশি সময় থাকতে হয়, তাহলে ভিন্ন কথা। না হয়, ১ অক্টোবর দেশে ফেরার কথা আছে আমার। ডাক্তার চাইলে বা বললে আরও বেশি সময় থাকতে হবে। ‘

এই যে ফাইনাল মিস করা, খেলতে না পারা- এই অনুভূতিটা নিশ্চয়ই দুঃখ জাগানো? তামিম হতাশাটা গোপন করতে পারলেন না, ‘আসলে কি আর বলব, ফাইনাল তো বহুদূরে। আমি তো কোনো ম্যাচই খেলতে পারলাম না। এই আক্ষেপের কথা কি বলে বোঝানো যায়? এর চেয়ে দুঃখের আর কিছু হতে পারে না। এখন দল ফাইনালে উঠার পর আরও বেশি খারাপ লাগছে এই কারণে যে, আমরা অনেক ফাইটব্যাক করে অবশেষে ফাইনালের টিকিট কনফার্ম করেছি। সেখানে আমি থাকলে অবশ্যই দলে অবদান রাখার প্রাণপন চেষ্টা করতাম।’

তবে যা হওয়ার তা তো হয়েই গেছে। দলের জন্য শুভকামনাই ঝড়ে পড়লো তামিমের কণ্ঠে। আশার বাণী শোনালেন, এবার হয়তো ফাইনাল হারের কষ্টটাও কাটবে, ‘আমার তো এখন আর কিছু করার নেই। তবে দলের জন্য শুভকামনা। এর আগে আমরা দুইবার ফাইনালে উঠেও ট্রফি জিততে পারিনি। না পারার গ্লানি ও দুঃখ সঙ্গী হয়েছিল। এবার আশা করব, সেই দুঃখ ও হতাশা কাটবে। আশা করি এবার আমাদের ভাগ্যবদল হবে।’