মাশরাফিদের উদ্দেশে যা বললেন ভারতীয় অধিনায়ক

এশিয়া কাপের ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে টসে হেরে ব্যাট করতে নামে টাইগার বাহিনী। চমক দেখানো ওপেনিংয়ে বাংলাদেশ দল ১৭.৫ ওভারে ১২০ রান তোলে। লিটন-মিরাজ জুটিতে ভারত যখন দিশেহারা তখন মিরাজ কেদার যাদবের বলে ক্যাচ তুলে দিয় সাজঘরে ফেরেন।

এরপর বাংলাদেশের ছন্দ পতন। একে একে সবাই আশা-যাওযার মধ্যে থাকলেও লিটন একাই আগলে রেখেছেন ক্রিজ। ব্যক্তিগত ১২১ রানের মাথায় কুলদ্বীপের বলে মাহেন্দ্র সিং ধোনির স্টাম্পিংয়ের ফাঁদে পড়েন তিনি। ফাঁদে পড়েন বললে ভুল হবে, তাকে ট্র্যাপে ফেলা হয়। চায়নাম্যান বোলারের বলটি মিস করলেও পা দাগের মধ্যেই ছিল তার। তবু রিপ্লে দেখেন আম্পায়ার। কয়েকবার জুম করে দেখার পর তাকে আউট দিয়ে দেন তৃতীয় আম্পায়ার রড টাকার।

এতে বাংলাদেশের ২০-৩০ রান করে গেল। ফলে ২২২ রানের পুঁজি নিয়ে মাঠ ছাড়ে বাংলাদেশ। আর এতো কম রানের পুঁজি দিয়ে ভারতের মত একটা দলকে হারানো কঠিন হবে এটা স্বাভাবিক ভাবেই বুঝা যায়।

কিন্তু বাংলাদেশের দুর্দান্ত বোলিং তাণ্ডবে ভারতের বুকে কাঁপন ধরিয়ে দেয়। আর ভারতকে জিতে ৫০ ওভারে শেষ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়।

বাংলাদেশের এমন পারফরমেন্সে ভারতীয় অধিনায়ক রোহিত শর্মা প্রশংসার বৃষ্টিতে ভেজালেন।

খেলা শেষে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে রোহিত বলেন, শুরুতে দুর্দান্ত ব্যাটিং করেছে বাংলাদেশ। সূচনালগ্নে আমাদের চাপে রেখেছিল তারা। তবে আমরা জানতাম, বল পুরনো হলে ফিরে আসতে পারব। স্বাভাবিকভাবেই প্রথম উইকেট পতনের পর চাপ তৈরি করতে পেরেছি। শেষ পর্যন্ত ফলটা আমাদের পক্ষে এসেছে।

বাংলাদেশ বেশ ভালো দল উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশ বেশ ভালো দল। মাশরাফি সবসময়ই সতেজ। তবে এ ধরনের ম্যাচ জিততে হলে দলের বাকি খেলোয়াড়দের পারফরম করতে হয়। যাহোক, তাদের কৃতিত্ব দিতেই হবে। সর্বোপরি, তারা দারুণ খেলেছে।

পুরো টুর্নামেন্টে তার দল ভালো খেলেছে জানিয়ে রোহিত বলেন, গোটা টুর্নামেন্টে আমরা ভালো খেলেছি। সেই পুরস্কারই পেলাম। আমরা শতভাগ পারফর করতে পেরেছি। এমন প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ম্যাচ খেলতে ভালো লাগে। প্রতিআক্রমণ সব সময়ই উপভোগ্য। ছেলেদের কৃতিত্ব দিতে হবে। তারা ভালো খেলেছে, টুর্নামেন্টে হ্যাপি এন্ডিং টেনেছে।