ফাইনালের আগেই ভাইরাল যে ছবিটি

ফাইনালের দামামা ততক্ষণে বেজে গেছে। টস জিতে আগে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ভারতের অধিনায়ক রোহিত শর্মা। ২২ গজে নামার আগে দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সমবেত হলেন দুই দলের ক্রিকেটাররা। পেছনে নিজ নিজ দলের জাতীয় পতাকা। দুই দলের মাঝে দাঁড়িয়েছেন ম্যাচ রেফারি ও ম্যাচ পরিচালনার দায়িত্বে থাকা দুই আম্পায়ার।

বিপত্তি দেখা দিলো এশিয়া কাপের ট্রফির অবস্থান নিয়ে। নিয়ম অনুযায়ী, ট্রফি রাখার কথা দুই দলের ঠিক মাঝামাঝি। ম্যাচ রেফারি ও আম্পায়ারদের ঠিক সামনে ট্রফি রাখার নিয়ম থাকলেও সেটা মানা হয়নি, বরং এশিয়া কাপের শিরোপা রাখা হয়েছিল আয়োজক দেশ ভারতের দিকে এগিয়ে!

জাতীয় সংগীত শেষ হওয়ার আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এমন একটি ছবি। এরপর ছবিটি ভাইরাল হতে খুব বেশি সময় নেয়নি। ফেসবুক, টুইটার ব্যবহারকারীরা রীতিমতো মুণ্ডুপাত করেছেন আয়োজকদের, প্রশ্ন তুলেছেন তাদের দায়িত্বজ্ঞান নিয়ে।

ট্রফির অবস্থানের ছবি নিয়ে চলমান সমালোচনা আরও ঘনীভূত হয় লিটন দাসের বিতর্কিত আউটের পর। ইনিংসের ৪১তম ওভারে থার্ড আম্পায়ার রড টাকারের পক্ষপাতমূলক এক সিদ্ধান্তের শিকার হয়ে মাঠ ছাড়তে হয় ডানহাতি এই ওপেনারকে। কিন্তু সব বিশ্লেষণেই দেখা যায়, মহেন্দ্র সিং ধোনি স্টাম্প ভাঙার আগেই লিটনের পা লাইন স্পর্শ করে ফেলে। এমনকি তার পা মাটিতেই ছিল।

এরপর লিটনের পায়ের অবস্থান ম্যাগনেটিক গ্লাস দিয়েও পর্যবেক্ষণ করা হয়। এমনকি স্টাম্প ক্যামেরা দিয়ে দেখানো হয়। সেখানেও স্পষ্ট দেখা যায়, লিটনের পা লাইন স্পর্শ করার পরই স্টাম্প ভেঙে দেন ধোনি।

এদিকে টেলিভিশনের ধারাভাষ্যে বারবারই মুহূর্তটিকে ক্লোজ বলা হচ্ছিল। বলা হচ্ছিল বেনিফিট অব ডাউট ক্রিকেটীয় আইনে সবসময় ব্যাটসম্যানের পক্ষেই যায়।

কিন্তু সব নিয়মের ঊর্ধ্বে গিয়ে লিটনের আউট ঘোষণা করেন অস্ট্রেলিয়ার আম্পায়ার রড টাকার। আর থার্ড আম্পায়ারের সিদ্ধান্তে স্টাম্পড হয়ে সাজঘরে ফেরেন ক্যারিয়ার সেরা ইনিংস খেলা লিটন। আউট হওয়ার আগে ১১৭ বলে ১২ চার ও দুই ছয়ে ১২১ রান করেন ডানহাতি এই ওপেনার।

প্রশ্নবিদ্ধ এই আউটের পর আম্পায়ারের সমালোচনায় মাতেন ভক্ত-সমর্থক থেকে শুরু করে সাধারণ ক্রিকেটপ্রেমীরা। তারা দাবি করেন, ম্যাচ শুরুর আগেই তো ট্রফি ভারতের হাতে তুলে দেওয়া হয়। মাঠে শুধু ছিল আনুষ্ঠানিকতা। সেটার পথে যখন লিটন দাস বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন, তখন তাকে সরিয়ে দেওয়ার চেয়ে উত্তম পথ আর খোলা ছিল না।

সূত্র: প্রিয়.কম।