লিটনের আউট নিয়ে যা বললেন মাশরাফী

এশিয়া কাপের শেষে দেশে ফিরেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। গতকাল রাত ১১.৩০ মিনিটে এমিরেটস এয়ারলাইন্স এর একটি বিমানে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে টাইগাররা।

আপাতত কয়েকদিনের বিশ্রামে থাকবেন টাইগাররা। এরপর জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে আসন্ন সিরিজের জন্য নিজেদের প্রস্তুতি শুরু করবেন।

এদিকে, এশিয়া কাপের ফাইনালে ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি তুলে নেওয়ার দিনে বিতর্কিত সিদ্ধান্তে ফিরতে হয় লিটন দাসকে। তার স্টাম্পিং আউট নিয়ে ‘সন্দেহ’ আছে মাশরাফির মনেও। কারণ লিটনের উইকেটটি বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল।

মেহেদী হাসান মিরাজকে নিয়ে দুর্দান্ত শুরুর পর হঠাৎ ধস নামা বাংলাদেশের ইনিংসকে টেনে নিয়ে যাচ্ছিলেন লিটন দাস। কিন্তু কুলদীপ যাদবের বলে ১২১ রানে প্রশ্নবিদ্ধ স্টাম্পিংয়ের শিকার হয়ে ফিরতে হয় এই ব্যাটসম্যানকে। থার্ড আম্পায়ারের কাছে যাওয়া সিদ্ধান্তে অনেকবার রিপ্লে দেখে আউট দেওয়া হয় লিটনকে।

কুলদীপের বলে লাইন মিস করে ক্রিজ থেকে বেরিয়ে গিয়েছিলেন লিটন। আর সুযোগটা বেশ ভালো করেই কাজে লাগান উইকেটের পেছনে থাকা মহেন্দ্র সিং ধোনি। তিনি দ্রুত স্টাম্প ভেঙে দিলে আউটের আবেদন করে ভারত। স্বাভাবিকভাবে রিপ্লে দেখলে মনে হবে লাইনের ওপর ছিল তার পায়ের একটা অংশ। তবে সামান্য কোনও অংশ লাইনের ভেতরে ছিল কিনা, বিভিন্নে অ্যাঙ্গেল থেকে দেখে টিভি আম্পায়ার রড টাকার লিটনের বিপক্ষে রায় দিয়েছেন।

লিটন বেনিফিট অব দ্য ডাউট পেতেই পারতেন। যদিও ভারতের পক্ষে রায় দিয়েও ভুল করেননি আম্পায়ার। তবে তিনি চাইলে লিটনের পক্ষে রায় দিতে পারতেন।

লিটনের ১২১ রানের ইনিংসে ভর দিয়ে ২২২ রান করেও লড়াই করেছে বাংলাদেশ। তবে লিটন আউট না হলে দলীয় স্কোরটা আরও বড় হতেই পারতো। তার এই আউট নিয়ে মাশরাফির মনে একরকম আক্ষেপ জমে থাকলো।

মাশরাফি বলেন, এটা তো আসলে বলা কঠিন। আমাদের কাছে একসময় মনে হচ্ছিল আউট না। কিন্তু থার্ড আম্পায়ারই ভালো বলতে পারবেন, কারণ সিদ্ধান্তটা তো উনারই ছিল। এটা নিয়ে হয়তো পরে আলোচনা হবে।

উল্লেখ্য, কিছু দিন পরই শুরু হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ-জিম্বাবুয়ে সিরিজ। বাংলাদেশের বিপক্ষে তিনটি ওয়ানডে এবং দুইটি টেস্ট খেলতে ১৬ অক্টোবর ঢাকায় আসছে জিম্বাবুয়ে ক্রিকেট দল। ২১ অক্টোবর দুই দলের প্রথম ওয়ানডে, মিরপুরে।