তিন মাসের জন্য মাঠের বাইরে সাকিব

বাঁ-হাতের কনিষ্ঠ আঙুলের পুরোনো চোট নিয়েই খেলতে গিয়েছিলেন এশিয়া কাপে। আঙুলের অবস্থার অবনতি হওয়ায় পাকিস্তানের বিপক্ষে সুপার ফোর পর্বের ম্যাচের আগেই দেশে ফিরে আসতে হয় সাকিব আল হাসানকে। পুঁজ জমে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়েছিল। শেষ পর্যন্ত তাই জরুরী ভিত্তিতে অস্ত্রোপচারের টেবিলে যেতে হয় তাকে। রোববার হাসপাতালও ছেড়েছেন সাকিব। তবে বিশ্বসেরা এই অলরাউন্ডারকে তিন মাসের জন্য মাঠের বাইরে থাকতে হবে।

সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে দেশে ফিরে বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার কথা ছিল সাকিবের। সেখানেই অস্ত্রোপচার করাতে চেয়েছিলেন বাংলাদেশের টেস্ট ও টি-টুয়েন্টি অধিনায়ক। কিন্তু আঙুলের ক্ষত স্থানে পুঁজ জমে অবস্থা এতটাই খারাপের দিকে যায় যে, দ্রুত ভর্তি হন রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে। সেখানেই অস্ত্রোচপার সম্পন্ন হয় তার।

আরো একটি অস্ত্রোপচার লাগবে সাকিবের। ক্রিকেটের জনপ্রিয় ওয়েবসাইট ক্রিকইনফো অন্য একটি সংবাদ মাধ্যমের বরাত দিয়ে তাদের প্রতিবেদনে বলছে, চিকিৎসকরা সাকিবকে বলেছেন দ্বিতীয় অস্ত্রোপচারের জন্য তিন সপ্তাহ অপেক্ষা করতে হবে। একই সঙ্গে প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেটে ফিরতে তিন মাস সমল লাগবে বলে সাকিবকে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

কব্জি পর্যন্ত যে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়েছিল সেটি আরেকবার বললেন সাকিব, ‘আমি যখন হাসপাতালে ভর্তি হই, ডাক্তাররা জানান অনেক পুঁজ জমে গেছে। যতোটা দ্রুত সম্ভব তা বের করতে হবে। যেহেতু সংক্রমণ আমার কব্জি পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়েছে তাই দেরি করলে যেকোনো বড় বিপদ হতে পারত। আর কয়েকদিন অপেক্ষা করলে আমার কব্জি অক্ষম হয়ে পড়ত।’

এরপর মাঠে ফেরার ব্যপারেও পরিস্কার বলে দেন সাকিব, ‘পুঁজ বের করার পর আমি বেশ ভালো অনুভব করছি। কিন্তু ইনফেকশন এখনো দূর হয়নি। আমার আঙ্গুলে এখনই অস্ত্রোপচারে যেতে চাচ্ছেন না তারা (ডাক্তাররা)। আরও ২-৩ সপ্তাহ লাগবে সেই অবস্থায় যেতে। অস্ত্রোপচারের পর আমার ৮ সপ্তাহ লাগবে মাঠে ফিরতে। যার মানে সব মিলিয়ে তিন মাসের মতো মাঠের বাইরে থাকতে হবে আমাকে।’

সূত্র: পরিবর্তন