উন্নত চিকিৎসার জন্য অস্ট্রেলিয়া যাচ্ছেন সাকিব

ইনজুরি আক্রান্ত হাতের চিকিৎসা করানোর জন্য আগামী শুক্রবার অস্ট্রেলিয়া যেতে পারেন সাকিব। সেখানে সাকিবকে পর্যবেক্ষণ করবেন হাতের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক গ্রেগ হোয়ে। বুধবার এমনটাই জানিয়েছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের চিকিৎসক দেবাশীষ চৌধুরী।

সাংবাদিকদের দেবাশীষ জানিয়েছেন, সাকিবের এই যাত্রার প্রধান কারণ আগামী চিকিৎসা পদ্ধতি সম্পর্কে ধারণা লাভ। হোয়েই সাকিবকে পরবর্তী চিকিৎসা সম্পর্কে বিস্তারিত নির্দেশনা দেবেন। এরপরই জানা যাবে, ইনজুরি সারিয়ে তুলতে সাকিবের অস্ত্রোপচার বাধ্যতামূলক কি না।

দেবাশীষ বলেন,‘পর পর দুইবার তিন-চারদিনের ব্যবধানে কিছু পুঁজ বের করা হয়েছে। ওর অবস্থা উন্নতির দিকে। ব্যথা আগের থেকে অনেকটাই কমে এসেছে।আপাতত অ্যান্টিবায়োটিক চিকিৎসার মধ্যেই আছে। আমরা আশা করছি এই ধরনের চিকিৎসা আরও সপ্তাহ খানেক চলার পর সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আসবে।’

বিসিবির অভিজ্ঞ চিকিৎসক বলেন-

‘আমরা চাইছি অস্ট্রেলিয়ায় হ্যান্ড সার্জনের তত্ত্বাবধানে ওর অপারেশন প্ল্যান করা আছে সেই গ্রেগ হয়ের কাছে একবার পাঠাতে। দু’টো কারণে, এখানকার হাতের অবস্থাটা আসলে কী, আর সার্জারির দরকার আছে কিনা আগামীতে। যদি হয়ে থাকে তাহলে প্ল্যানটা কী হবে। এসব মিলিয়ে আমরা পাঠাচ্ছি। উনার এপয়নমেন্ট পাওয়া সাপেক্ষে শুক্রবার সাকিব হয়ত অস্ট্রেলিয়া যাবে।’

সাকিবের বড় ধরনের অস্ত্রোপচার প্রয়োজন হতে পারে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে দেবাশীষ বলেন, ‘এই ধরনের ইনজুরির জন্য আসলে নিশ্চিত কোনো সিদ্ধান্তে আসা খুব কঠিন। এটা ওর লিটল ফিঙ্গার, এটা নিয়েই খেলা চালিয়ে যাচ্ছিল। আর অপারিটিভ প্রসেসটা চিকিৎসার শেষ ধাপ। যদি অপারেশন না করে একজন খেলোয়াড় খেলা চালিয়ে যেতে পারে তাহলে খেলোয়াড় চায় বা ম্যানেজমেন্ট চায় অপারেশন না করাতে।’

সেক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শই হবে সাকিবের আক্রান্ত হাতের চূড়ান্ত দাওয়াই। তার ভাষ্য, ‘অপারেশনটাও কিন্তু এই ধরনের সমস্যাকে কিছু বাড়িয়েও দিতে পারে। যারা হ্যান্ড সার্জন আছেন, তারা বলে থাকেন অস্ত্রোপচার শেষ সমাধান হিসেবে দেখার জন্য। অপারেশন না করে যদি খেলা চালায় মাঝেমাঝেই কিন্তু এটা বেড়ে যেতে পারে। এরকম অনেক খেলোয়াড়ই খেলা চালিয়ে যান কিন্তু জয়েন্ট সংক্রমণ হয়ে যাওয়াতে পুরো ব্যাপারটাই জটিল হয়ে গেছে।’—বিডিক্রিকটাইম