সেমিফাইনালে বাংলাদেশকে চ্যালেঞ্জিং টার্গেট ছুড়ে দিল ভারত

টস জিতে প্রথমে ব্যাটিং নিয়েছে ভারত। শুরুতেই আঘাত হেনেছেন বাংলাদেশের পেসার শরিফুল ইসলাম। তার দুর্দান্ত এক ডেলিভারিতে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে ফিরেছেন ওপেনার দেবদূত পাদিক্কাল। তিনি করেন মাত্র ১ রান।

দ্বিতীয় উইকেটে অবশ্য এই বিপর্যয় সামলে উঠেছিল ভারত। ৬৬ রানের জুটি গড়েন জাইসওয়াল আর অনুজ রাওয়াত। ৩৫ রান করা রাওয়াতকে ফিরিয়ে এই জুটিটি ভেঙেছেন অধিনায়ক তৌহিদ হৃদয়। এরপরই ভারতকে কোনঠাসা করে দেন টাইগার বোলাররা।

রিশাদ হোসেনের লেগস্পিনে শুন্য রানেই সাজঘরে অধিনায়ক সিমরান সিং। এরপর জোশ রাথডকে (২) নিজের দ্বিতীয় শিকার বানান হৃদয়। পরের ওভারে সেট ব্যাটসম্যান জাইসওয়ালকে (৩৭) বোল্ড করে দেন রিশাদ।

এরপর সামির ও আয়ুশের ব্যাটে আবারো ঘুড়ে দাড়ায় ভারত। আয়ুশের ২৮ ও সামিরের ৩৬ রানের ভর করে ৫০ ওভার শেষে লড়াকু পুজি সংগ্রহ করে ভারত।

শেষ পর্যন্ত ১০ উইকেট হারিয়ে ৩ বল বাকি রেখেই ১৭২ রানে থামে ভারতের ইনিংস। জয়ের জন্য বাংলাদেশের টার্গেট ১৭৩ রান।

ফাইনালে উঠার লড়াই। প্রতিপক্ষ শক্তিশালি ভারত। তবে দারুণ খেলে সেমিফাইনালে উঠা বাংলাদেশের যুবারাই বা কম কিসে! মিরপুরের শেরে বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টুর্নামেন্টের প্রথম সেমিফাইনালে ভারতকে বেশ করে চেপে ধরেছিল টাইগার বোলাররা। রিশাদ-হৃদয়দের বোলিং তোপে ৭৭ রান তুলতে ৫ উইকেট হারিয়েছিল ভারত।

শুরুতেই বড় ধাক্কা খায় ভারত। উইকেটে জমে যাওয়া ওপেনার ইয়াশভি জেসওয়াল লেগ স্ট্যাম্পের বলে সুইপ করতে গিয়ে বোল্ড হন। ৩৭ রান করে সাজঘরে ফিরতে হয় তাঁকে। দলের স্কোর তখন ২৬ ওভারে ৭৮ রান।