মেসি-জাদুতে বার্সার দারুণ জয়

প্রথম ম্যাচে পিএসভির বিপক্ষে বড় জয়ে করেছিলেন হ্যাটট্রিক। ওয়েম্বলিতে কাল টটেনহামের বিপক্ষেও বার্সেলোনাকে জেতালেন লিওনেল মেসি। আর্জেন্টাইন তারকা দুই গোলে রাখলেন অবদান। নিজেও করলেন দুই গোল। তাতেই বার্সেলোনার কাছে টটেনহাম হারল ৪-২ গোলে।

এবারের চ্যাম্পিয়নস লিগে বার্সেলোনা জিতল তাদের প্রথম দুই ম্যাচেই। প্রথম ম্যাচে তারা পিএসভিকে উড়িয়ে দিয়েছিল ৪-০ গোলে।

ওয়েম্বলিতে ম্যাচের প্রথমার্ধে ছিল পুরোপুরি বার্সার দাপট। দ্বিতীয় মিনিটেই ফিলিপে কুতিনহোর গোলে এগিয়ে যায় বার্সা। মেসি মাঝ মাঠ থেকে লম্বা করে বল বাড়িয়েছিলেন জরদি আলবাকে। আলবা ডি বক্সের একটু সামনে বলটা পেয়েছিলেন। কিন্তু ভুলটা করে বসলেন গোলরক্ষক হুগো লরিস। এগিয়ে এসে আলবাকে ঠেকাতে চেয়েছিলেন তিনি। তার আগেই আলবা বল দেন কুতিনহোকে। জোরালো শটে বল জালে পাঠান ব্রাজিলিয়ান প্লে-মেকার।

২৮ মিনিটে দারুণ এক ভলিতে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন ক্রোয়াট মিডফিল্ডার ইভান রাকিটিচ। এবারও মেসিই শুরু করেছিলেন আক্রমণ। মেসির লম্বা করে বাড়ানো বল ডি বক্সের সামনে বুক দিয়ে নামান লুইস সুয়ারেজ। উরুগুইয়ান স্ট্রাইকার আবার বাঁ দিকে বল দেন কুতিনহোকে। তার বাড়ানো বলে ডি বক্সের সামনে থেকে রাকিটিচের জোরালো ভলি, বারপোস্টে লেগে বল আশ্রয় খুঁজে নেয় জালে।

স্কোরলাইনটা হয়ে যেতে পারত ৪-০। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে পাঁচ মিনিটের মধ্যে মেসির দুটি শট ফিরে আসে পোস্টে লেগে। রোমাঞ্চের শুরু এরপরেই। ৫২ মিনিটে হ্যারি কেনের গোলে ব্যবধান কমায় টটেনহাম।

অবশ্য তিন মিনিট পরই আবার দুই দলের লিডটা পুনরুদ্ধার করে বার্সা। এবার গোল করেন মেসি নিজেই। আলবাকে বল দিয়ে নিজে ঢুকে গিয়েছিলেন বক্সের ভেতর, এরপর পোস্ট ঘেঁসে লক্ষ্যভেদ করেন পাঁচবারের বর্ষসেরা খেলোয়াড়।

৬৬ মিনিটে আরেকবার রঙ বদলায় ম্যাচের। আবারো ব্যবধান কমিয়ে রোমাঞ্চকর শেষের আভাস দিয়েছিলেন এরিক লামেলা। তবে নির্ধারিত সময়ের শেষ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোলে সব অনিশ্চয়তার ইতি টানেন মেসি। আলবার পাস থেকে ফাঁকায় বল পেয়ে জালে পাঠান আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড।