জয়ের দ্বারপ্রান্তে টাইগাররা

বাংলাদেশের যুবাদের সামনে বড় সুযোগ রয়েছে যুব এশিয়া কাপের ফাইনালে জায়গা করে নেয়ার। ফাইনালের টিকিট পেতে হলে তৌহিদ হৃদয়ের দলকে করতে হবে ১৭৩ রান নির্ধারিত ৫০ ওভারে।

১৭৩ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে দলীয় ৭ রানে মাত্র ২ রান করে সাজঘরে ফিরেছেন ওপেনার সাজিদ হোসেন। তার বিদায়ে প্রান্তিক নাবিলের সাথে ক্রিজে ব্যাট করতে নামেন মাহমুদুল হাসান জয়। কিন্তু বেশিক্ষন ক্রিজে থাকা হয়নি প্রান্তিকেরও।

২১ রানে ২ উইকেট হারিয়ে ফেলার পর সেখান থেকে বাংলাদেশকে টেনে দেয়ার দায়িত্বটা কাঁধে নেন মাহমুদুল হাসান জয় এবং অধিনায়ক তৌহিদ হৃদয়। কিন্তু ২১ রানের জুটি গড়ার পর ব্যক্তিগত ২৫ রানে সিদ্ধার্থ দেসাইকে উইকেট ছুঁড়ে দেন জয়। এর তিন ওভার পর লেগ স্ট্যাম্পের বাইরের বলে স্লগ সুইপ করতে গিয়ে সাজঘরে ফেরেন অধিনায়ক তৌহিদ হৃদয়। ব্যক্তিগত ১০ রানে বিদায় নেন এই দলপতি।

অধিনায়ক হৃদয় আউট হওয়ার পর বাংলাদেশের জয়ের জন্য আরও প্রয়োজন ছিল ১১৩ রানের। ৬০ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে বসা বাংলাদেশকে আরও বিপদে ফেলেন রিশাদ হোসেন। ২ রান করে দেসাইয়ের বলে সাজঘরে ফেরেন তিনি।

এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত বাংলাদেশের সংগ্রহ ২৮ ওভার শেষে ৫ উইকেট হারিয়ে ১১১ রান। আকবর ৩০ ও শামিম ৩০ রান করে ব্যাট করছেন। জয়ের জন্য বাংলাদেশের প্রয়োজন ৬২ রান।

এর আগে মিরপুরের হোম অফ ক্রিকেটে বৃহস্পতিবার এশিয়া কাপের প্রথম সেমিফাইনালে ভারতকে ৪৯.৩ ওভারে মাত্র ১৭২ রানে থামিয়ে দিয়েছে বাংলাদেশের যুবারা। টসে জিতে প্রথমে ব্যাট করা ভারতের পক্ষে সর্বোচ্চ ৩৭ রান করেন ওপেনার ইয়াশভি জেসওয়াল।

এছাড়াও ৩৬ রান আসে সামির চৌধুরীর ব্যাট থেকে। বাংলাদেশের হয়ে এদিন বল হাতে দুর্দান্ত ছিলেন পেসার শরিফুল ইসলাম। ডানহাতি এই পেসার একাই নিয়েছেন ৩টি উইকেট। পাশাপাশি মৃত্যুঞ্জয়, রিশাদ এবং অধিনায়ক হৃদয় নেন ২টি করে উইকেট।

বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দলঃ সাজিদ হোসেন, প্রান্তিক নওরোজ নাবিল, মাহমুদুল হাসান জয়, তৌহিদ হৃদয় (অধিনায়ক), আকবর আলী (উইকেটরক্ষক), শামীম হোসেন, মিনহাজুর রহমান, মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরী, রকিবুল হাসান, রিশাদ হোসেন, শরিফুল ইসলাম।