জাতীয় লিগে সেঞ্চুরি করেলেন সৌম্য

এশিয়া কাপের ফাইনালে বাংলাদেশের ইনিংস যখন ধসে পড়েছে, মিডল অর্ডারে এসে দলকে ভরসা দিয়েছিলেন সৌম্য সরকার। বাংলাদেশের অন্যতম প্রতিভাবান এই তরুণ নিজের ফর্ম হারিয়ে ফেলেছেন বহুদিন হলো। ঘরোয়া কিংবা আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তার অসাধারণ ব্যাটিং বহুদিন দেখা যাচ্ছিল না। এবার জাতীয় লিগে সেঞ্চুরি হাঁকিয়েই যেন তিনি জানান দিলেন যে, ‘আমি ফুরিয়ে যাইনি’।

প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে সৌম্য সবশেষ সেঞ্চুরি পেয়েছেন ২০১৫ বিসিএলে। দক্ষিণাঞ্চলের হয়ে উত্তরাঞ্চলের বিপক্ষে ১২৭ করেছিলেন। সেটাই ছিল তার সর্বশেষ সেঞ্চুরি। আজ খুলনা বিভাগের হয়ে নিজের দ্বিতীয় সেঞ্চুরিটা পেয়ে গেলেন। প্রথম ইনিংসে করেছিলেন মাত্র ১৩ রান। আজ তার ব্যাটে দেখা গেল স্ট্রোকের ছটা।

আজ এনসিএলের প্রথম পর্বের শেষ দিনের বিকালে সৌম্যর ১২০ বলে অপরাজিত ১০৩ রানের ইনিংসে ছিল ৮টি চার এবং ৭টি ছক্কা! স্ট্রাইকরেট ৮৫.৮৩। এটা যেন সেই চিরচেনা মারকুটে সৌম্য সরকার। গত ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে নিজেদের শেষ ম্যাচে করেছিলেন ১৫৪। কিছুদিন আগে ‘এ’ দলের হয়ে আয়ারল্যান্ড সফরের টি-টোয়েন্টি সিরিজেও দারুণ করেছেন।

ম্যাচ শেষে সৌম্য সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘চেষ্টা করছি। রানের চেয়ে উইকেটে বেশি থাকার চেষ্টা করছি। উইকেটে থাকা মানে নিজের খেলার ধরনে খুব বেশি বদলায়নি। আগে একটু তাড়াহুড়ো করে অনেক ভুল করে ফেলতাম। এখন সেভাবে মারি না। যেটা মারার দরকার সেটাই মারি।’

এশিয়া কাপের দলে হুট করে ডাক পাওয়ায় বোঝা যায়, তার ওপর আস্থা হারাননি জাতীয় দলের নির্বাচকেরা। সৌম্য ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় সেঞ্চুরিতে পৌঁছানোর পর ড্র মেনে নেন দুই অধিনায়ক। সে সময় খুলনার রান ছিল ৭ উইকেটে ৪৬৭।