আশরাফুলের ‘৩’ রানের আক্ষেপ

সাদমান ইসলামের প্রথম-শ্রেণি ক্যারিয়ারের সপ্তম শতকের পর ক্যারিয়ারের ৩১তম অর্ধশতকের পথে বেশ ভালোভাবেই এগোচ্ছিলেন ঢাকা মেট্রোর আরেক ব্যাটসম্যান মোহাম্মদ আশরাফুল।

চতুর্থ উইকেট জুটিতে ১৩৬ রান যোগ করে প্রথম ইনিংসে ঢাকা বিভাগের বিপক্ষে লিড নেওয়ার পাশাপাশি বড় সংগ্রহের ভিত গড়ে দিলেও ৩ রানে আক্ষেপ নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয়েছে আশরাফুলকে।

আগের দিনের বিনা উইকেটে ২৬ রান নিয়ে দ্বিতীয় দিনের খেলা শুরুর পর দিনের শুরুতেই সৈকত আলির উইকেট হারায় মেট্রো। দলীয় ৩৭ রানে তার বিদায়ের পর কিছুক্ষণের মধ্যে শাহাদাত হোসেন ও সালাউদ্দিন সাকিলের আঘাতে আরও দুই উইকেট হারিয়ে বসে দলটি।

সৈকতের (২৩) পর দলীয় ৫৩ রানের মধ্যে শামসুর রহমান (১) ও মার্শাল আইয়ুব (৪) আউট হয়ে গেলে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে ঢাকার দলটি। তারপর দলের হাল ধরতে ক্রিজে সাদমানের সাথে যোগ দেন আশরাফুল। মধ্যাহ্ন ভোজনের বিরতি পর্যন্ত দেখেশুনে খেলে আর কোনও উইকেট না হারিয়ে দলের প্রাথমিক বিপর্যয় সামাল দেন এ দুই ব্যাটসম্যান।

এরপর মধ্যহ্ন ভোজনের বিরতি থেকে ফিরেও দেখেশুনে ব্যাট করতে থাকেন তারা। সাদমান প্রথম-শ্রেণি ক্যারিয়ারের সপ্তম শতক পূর্ণ করার পর আশরাফুল ক্যারিয়ারের ৩১তম অর্ধশতকের পথে হাঁটতে থাকেন।

তবে বড় ইনিংসের আভাস দিলেও শেষ পর্যন্ত এ যাত্রায় তা করতে পারেননি তিনি। অর্ধশতক থেকে মাত্র ৩ রান দূরে থাকতে দলীয় ১৮৮ রানের সময় শুভাগত হোমের বলে বদলি ফিল্ডার নাজমুল হোসেন মিলনের হাতে ক্যাচ দিলে আফসোস নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয় তাকে।

এরফলে ১৩৬ রানের জুটি ভাঙ্গার পাশাপাশি শেষ হয় ধৈর্যের চরম পরীক্ষা দিয়ে ২০০ মিনিট ক্রিজে থেকে ১৩৮ বল মোকাবেলার আশরাফুলের ইনিংসটি। আউট হওয়ার আগে ৪ চার ও ১ ছয়ে ৪৭ করেন তিনি।

তার বিদায়ের পর নতুন ব্যাটসম্যান হিসেবে সাদমানের সাথে ক্রিজে যোগ দিয়েছেন মেহরাব হোসেন জুনিয়র।

এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত, ঢাকা মেট্রোর সংগ্রহ ৪ উইকেটে ১৯৩ রান।