তামিমের পরিবর্তে স্কোয়াডে সুযোগ পাচ্ছেন এই বিধ্বংসী ব্যাটসম্যান

ঘরের মাঠে এ মাসের জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ওয়ানডে এবং টেস্ট সিরিজ খেলবে বাংলাদেশ দল। ২০১৯ বিশ্বকাপ কে সামনে রেখেই এই সিরিজ থেকেই পরীক্ষা-নিরীক্ষা শুরু করবে নির্বাচকরা।এমনিতেই ইনজুরির কারণে খেলতে পারবেন না সাকিব আল হাসান এবং তামিম ইকবাল। প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদিন নান্নু ও টিম ম্যানেজার খালেদ মাহমুদ সুজনও জানালেন, বড় ধরনের রদ বদলের সুযোগ-সম্ভাবনা নেই। তবে দু’একজনকে পরখ করার সম্ভাবনা আছে। সেটা এমনিতেই আছে।

তাদের দু’জনার একই কথা, ‘ওপেনার তামিম আর অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান যেহেতু নেই, তাই দুটি জায়গা খালি। ওই শূন্যতা পুরণের জন্য এমনিতেই দুজনকে সুযোগ দিতে হবে।’

নান্নুর কথায় পরিষ্কার, সেখানে নতুন কাউকে দেখা যেতেও পারে। এর মধ্যে লিটন দাসের সাথে বিকল্প ওপেনার হিসেবে রাজশাহীর মিজানুর রহমানের সম্ভাবনার কথা শোনা যাচ্ছে।

জাতীয় লিগের দ্বিতীয় রাউন শুরুর আগে প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদীন নান্নু বলেছিলেন, “লিটন দাসের সাথে অন্তত আরও দুজন ওপেনারের কথা ভাবা হচ্ছে। শান্তর অবস্থা খুঁটিয়ে দেখা হবে। আর রাজশাহীর ওপেনার মিজানের (মিজানুর রহমান) ওপর চোখ আছে আমাদের।

কাকতালীয়ভাবে দুজনই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ। মিজান অনবদ্য শতরান করেছেন। রংপুরের বিপক্ষে তার ব্যাট থেকে এসেছে ১৬৫ রান জলমলে ইনিংস। আর বাঁ-হাতি নাজমুল হোসেন শান্তও সেঞ্চুরি পূরণ করে ১৬০’র ঘরে পা রেখেছেন।

যদিও পর্যাপ্ত ব্যাটিং পারফরমার আছেন। তারপরও মিজানুরকে পরখ করার জন্য জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে প্রাথমিক দলে নেয়া হতে পারে।

জাতীয় লিগ দেখতে এখন রাজশাহী অবস্থান করা মিনহাজুল আবেদিন নান্নু বলেন, ‘আমরা আগামীকালই (বুধবার) হয়ত দল বোর্ডে জমা দিয়ে দেব। তবে দলের সংখ্যা নিয়ে খানিক দোটানায় আছি।

আমরা চাচ্ছি ১৬ জনকে ডাকতে। তাহলে আর আলাদা করে ক্রিকেটার ডাকার দরকার হবে না; কিন্তু সমস্যা হলো, ১৬ জন হলে চার থেকে পাঁচ জন বসে থাকবে। আমরা চাচ্ছি ক্রিকেটারদের খেলার মধ্যে রাখতে। ১৫ অক্টোবর জাতীয় দলের প্র্যাকটিস শুরু।

একইদিন আবার জাতীয় লিগের তৃতীয় রাউন্ডও শুরু। এখন ১০/১১ অক্টোবরের মধ্যে দল চূড়ান্ত হয়ে গেলে স্কোয়াডে জায়গা পাওয়া ক্রিকেটারদের জাতীয় লিগে খেলা হবে না। তাই সংখ্যা নিয়ে কোচের সাথে কথা বলছি। দেখি এ বিষয়ে কোচ স্টিভ রোডস কি বলেন!’