বিয়ের পাত্রী দেখার সময় মেয়েটির কোন কোন গুনাবলীর দিকে লক্ষ্য রাখা উচিত?

বাতাসে এখন হিমের ছোঁয়া। রহস্যময় কুয়াশায় প্রকৃতিতে ছাতিম আর শিউলি ফুলের মিষ্টি ঘ্রাণ। চিরচেনা সেই গন্ধই প্রকৃতিকে জানিয়ে দিচ্ছে শীতের বারতা। আর এই শীতে রোল পড়ে বিবাহের। যারা বিয়ে করতে যাচ্ছেন তাদের জন্য কিছু টিপসঃ

১. পাত্রী দেখার আগেই পাত্রীর সাথে কারো সম্পর্ক আছে কিনা জেনে নিবেন।

২. পরিবারের সম্মতিতে দেখা-দেখি পর্ব শেষ করে পাত্রী সাথে সরাসরি এই বিষয়ে কথা বলুন।

৩. কোন মেয়েই সম্পর্কের কথা শিকার করে না। তাই কৌশল অবলম্বন করে জানার চেষ্টা করুন।

৪. কারো সাথে গভীর সম্পর্ক থাকলে দাম্পত্য জীবনে এর প্রভাব পড়বে কিনা ভেবে দেখুন।

৫. আপনি ও কারো সাথে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছেন। পরিবারকে বলতে সাহস পাচ্ছেন না। তাই পরিবারের সম্পতিতে অন্য মেয়েকে বিয়ে করতে যাচ্ছেন। অতীতকে ভুলে পরিবারের পছন্দের মেয়েকে মেনে নিতে পারবেন কিনা একটু ভেবে দেখুন।

৬. হুট করে ঘটকের মিষ্টি কথায় কান না দিয়ে পাত্রীর পরিবারের অতীত-বর্তমান ইতিহাস জানার চেষ্টা করুন।

৭. পাত্রীর বাবার অঢেল অর্থ সম্পদ দেখে বিয়ে করতে যাবেন না। অর্থ-সম্পদের উৎস জানার চেষ্টা করুন।

৮. সুন্দরী মেয়ে দেখেই বিয়ে করার জন্য পাগল না হয়ে তার চরিত্র সুন্দর কিনা জেনে নিন।

৯. আপনি প্রবাসী হলে প্রবাসে কি করেন, কতদিন পর দেশে আসেন, কতদিন পরিবারকে সময় দিতে পারবেন, বিয়ের পর নিয়ে যেতে পারবেন কিনা পাত্রীকে বা পাত্রীর অভিভাবককের সাথে শেয়া করুন। বিয়ের করতে গিয়ে মিথ্যার আশ্রয় নিলে সংসার জীবনে অশান্তি দেখা দিতে পারে।

১০. বয়সের ব্যবধান যাতে বেশী না হয় সেই দিকটাও একটু খেয়াল রাখবেন। আজকাল ত্রিশোর্ধ যুবককে পনের/ষোল বছরের মেয়েকে বিয়ে করতে যায়।

১১. গ্রাম অঞ্চলে বাল্য বিবাহ এখনো টিকে আছে। অভাবের কারনে গরীব মাতা-পিতা বয়স্ক পাত্র বা বিবাহিত পুরুষের সাথে টাকার লোভে কন্যা বিয়ে থাকে। কিশোরী বধুটি সন্তান জন্ম দিতে গিয়ে মৃত্যু বরণ করে থাকে। আপনি একজন শিক্ষিত ও সচেতন নাগরিক হিসেবে তাদেরকে এ কাজ থেকে বিরত থাকতে বলুন।

১২.মেয়ের ধরম সম্পর্ক নিয়ে মিনিমান জ্ঞান আছে কিনা তা দেখুন।

১৩.ব্লাড গ্রুপটা জেনে নিবেন।

১৪.মেয়ে বিয়ের পরে চাকুরী করবে কিনা জেনে নিন।

১৫.বারবার নিজেরদের চাওয়া পাওয়া গুলো ক্লিয়ার করে নিন।

১৬.শিক্ষাগত যোগ্যতা

১৭.মেয়ের পরিবার ও মেয়ের চাওয়া পাওয়ার বিষয়টা দেখে নিন মনে রাখবেন আপনার একটা সিদ্ধান্ত সারাজীবন বদলে দিবে। কাজেই হুটহাট করে সিদ্ধান্ত না নিয়ে ধীরে সুস্থে সময় নিয়ে সিদ্ধান্ত নিন।

পপপ্রয়োজনে একাধিকবার দেখা করুন। পরিশেষে আরো অনেক বিষয় থাকে যেগুলা দেখে নিতে হয়।