‘১ মাস পরে খেলতে পারি আবার ৬ মাসও লাগতে পারে’

সাকিব আল হাসানের আঙুলের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আছে। এরই মধ্যে শুরু হয়েছে পূনর্বাসন প্রক্রিয়া। ব্যথা না থাকায়, সার্জারি ছাড়াই দ্রুততম সময়ের মাঝে মাঠে ফিরতে চান সাকিব। আঙুলের চিকিৎসা শেষে মেলবোর্ন থেকে দেশে ফিরে এ কথা জানান বাংলাদেশের টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক। আগামী ৬ থেকে ১২ মাস অস্ত্রোপচার করা যাবে না। তাই সংক্রমণের অবস্থা জানতে সপ্তাহে একবার রক্ত পরীক্ষা করতে হবে বলেও জানান সাকিব।

এই পথ দিয়ে এর আগেও ওনি অনেকবার এসেছেন। কখনো দলকে জিতিয়ে, আবার কখনো হারার পর কষ্ট নিয়ে। তবে এবারের আসাটা একটু ব্যতিক্রম। অস্ট্রেলিয়া থেকে এবার একাই ফিরছেন সাকিব আল হাসান। আঙুলের ইনজুরির চিকিৎসা শেষে।

যে ইনজুরি নিয়ে দেশজুড়ে চলছে তুলকালাম। কখনো একে দোষারোপ তো, কখনো আরেকজনকে। এর মাঝেই আবার নতুন গুঞ্জন, আসছে বিশ্বকাপেও নাকি খেলতে পারবেন না বাংলাদেশ ক্রিকেটের প্রানভোমরা। কি অবস্থা হাতের, জানালেন নিজেই।

সাকিব বলেন, ইনফেকশনটা যদি বোনের ভেতর থেকে থাকে, তাহলে সেটা সরার সম্ভাবনা নাই। যেহেতু এন্টিবায়োটিক ব্লাডের মাধ্যমে ছড়ায় সেহেতু যেখানে ব্লাড যাবে না সেখানে এন্টিবায়োটিক কীভাবে কাজ করবে। এটা সিওর হওয়ার জন্য ৬ থেকে ১২ মাসের ভেতর কোন সার্জারি করা হবে না। কিন্তু ভালো দিকটা হচ্ছে সার্জারি না করেও হয়ত খেলা সম্ভব হতে পারে।

অস্ত্রোপচার লাগবেনা আপাতত, এটাও বেশ কয়দিন আগের কথাই। তবে কবে থেকে মাঠে নামবেন সাকিব, এ প্রশ্নে একটু সাবধানী উত্তর তার।

তিনি আরো বলেন, ইম্পর্ট্যান্ট হচ্ছে আমার হাতের স্ট্রেন্থটা কতক্ষণে ফিরে আসে। সেটা রিহ্যাবের মাধ্যমে তাড়াতাড়িও ফিরে আসতে পারে। হতে পারে ১ মাস পরে খেলতে পারি আবার ৬ মাস সময় ও কাগতে পারে।

সাকিব মাঠে নেই, তা’তে কি? বাংলাদেশ তো আর বসে নেই তাই বলে। কদিন বাদেই ঘরের মাটিতে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে খেলবে মাশরাফী বাহিনী। সিনিয়রদের ইনজুরির সুযোগে দলে এসেছে বেশ কয়েকজন নতুন মুখ। তাদের ওপর পূর্ণ আস্থাই রাখছেন টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি দলের অধিনায়ক। আপাতত ভাইরাস সংক্রমণের শেষ অবস্থা জানতে প্রতি সপ্তাহে রক্ত পরীক্ষা করতে হবে সাকিবকে।-সময় নিউজ।