সম্পূর্নই এক ভিন্নধর্মী প্র্যাকটিস করল টাইগাররা

১৫ জনের দল, কিন্তু প্রথম দিন ১৩ জন প্র্যাকটিসে। পেসার রুবেল হোসেন আর অফস্পিনার মেহেদি হাসান মিরাজের জ্বর। তাই তারা দুজন অনুপস্থিত। ১৩ জনের বহর তিন ভাগে। একটু গোলমেলে ঠেকছে, তাই না?

হ্যাঁ, একটু গোলমেলে ঠেকারই কথা। ১৩ জনের বহরকে তিন ভাগে ভাগ করা এবং তিন ভেন্যুতে আলাদা প্র্যাকটিসের মানে কি? খালি চোখে মানে যতই জটিল মনে হোক, আজকের প্রেক্ষাপটে এবং বাংলাদেশ দলের প্র্যাকটিস সিডিউলে মোটেই জটিল নয়। ক্রিকেটাররা প্রথম দিন প্র্যাকটিস শুরুই করলেন তিন ভাগে তিন রকমের স্কিল ট্রেনিং দিয়ে। তাতেই মিললো নতুনত্বর ছোঁয়া।

এতকাল জানা ছিল, প্র্যাকটিস শুরু মানেই ফিজিক্যাল ট্রেনিং আর নেটে ব্যাটিং ও বোলিং অনুশীলন। কিন্তু জিম্বাবুয়ের সাথে ওয়ানডে সিরিজের আগে আজ শেরে বাংলায় প্রথম থেকেই টাইগারদের প্র্যাকটিসের ধরণ গেল বদলে। চিরায়ত ধারা থেকে বেরিয়ে এক সাথে তিন ধরণের স্কিল ট্রেনিং হলো।

এক গ্রুপ শেরে বাংলার সেন্টার উইকেটে ‘রানিং বিটুইন দ্যা উইকেট’ প্র্যাকটিস করলেন বেশ কিছুক্ষণ। আবার ব্যাটিং কোচ নেইল ম্যাকেঞ্জি টপ অর্ডার ও মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যানদের সিঙ্গেলস নিয়ে খেলার কৌশল বাতলে দিলেন অনেকটা সময়।

সীমিত ওভারের ফরম্যাট মানেই যে শুধু চার ও ছক্কা হাঁকানো তথা ‘বিগ হিট’ নেয়া নয়, তা বোঝানোর পাশাপাশি সমীহ জাগানো বোলিংয়ের মুখে কিভাবে সিঙ্গেলস নিয়েও রান গতি সচল রাখা যায়, সে প্র্যাকটিসটাও হলো।

ভুল গুলো শুধরে নিজেদের ওয়ানডে ক্রিকেটের উপযোগি ও আদর্শ কলা কৌশল রপ্ত করার প্রয়াস এবার শুরু থেকেই। তাই জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজ শুরুর আগে সোমবার সকালের প্র্যাকটিস সেশনে সেই সব ভুল সংশোধনের চেষ্টাই হলো।