সাকিব-তামিম ছাড়াও বাংলাদেশ ভালো দল : মাসাকাদজা

গত পরশুদিন ১৬ তারিখ পূর্ণাঙ্গ সিরিজ খেলতে বাংলাদেশে পা রেখেছে জিম্বাবুয়ে। ২০১৪ সালের পর এবারই প্রথম পূর্ণাঙ্গ সিরিজ সিরিজ খেলতে বাংলাদেশে এসেছে তারা। বাংলাদেশে আসার আগে দক্ষিণ আফ্রিকায় দুৃর্বিষহ সময় কাটিয়েছে তারা। দক্ষিণ আফ্রিকার কন্ডিশনের পর এবার বাংলাদেশের কন্ডিশনও জিম্বাবুয়ের কঠিন পরিক্ষা নিবে।

এদিকে ইনজুরিতে পড়ায় জিম্বাবুয়ে সিরিজে থাকছেন না বাংলাদেশি দুই তারকা – তামিম ইকবাল ও সাকিব আল হাসান। এই খবরটা জিম্বাবুয়ে সিরিজে স্বস্তি বয়ে আনবে। তবে তামিম সাকিব না থাকলেও এশিয়া কাপের শেষ দুই ম্যাচে কোনো প্রভাব পড়েনি বাংলাদেশের পারফর্ম্যান্সে। সবাই নিজের দায়িত্ব বুঝে নিয়ে খেলেছে। কম রানে করেও হারিয়েছে পাকিস্তানকে। কঠিয় পরিক্ষায় ফেলেছে ভারতকে।

তাই তামিম-সাকিববিহীন বাংলাদেশকেও যথেষ্ট সমীহ করছেন জিম্বাবুইয়ান তারকা হ্যামিল্টন মাসাকাদজা, ‘দুজনই বাংলাদেশের জন্য বড় খেলোয়াড়। তারা বাংলাদেশের জন্য অনেক দিন ধরেই পারফর্ম করছে। বাংলাদেশের আরও অনেক খেলোয়াড় রয়েছে। আর কিছু বদলি খেলোয়াড়ও অপেক্ষায় আছে। আমার মনে হয় না সাকিব-তামিম না থাকায় তারা খুব একটা শক্তি হারাবে।

বাংলাদেশ ঘরের মাঠে খুবই ভালো দল। তাঁরা গত কয়েক বছরে সেটার প্রমাণ রেখে আসছে। এখানে এসে খেলা সব সময়ই কঠিন। আমরা বাংলাদেশের মাটিতে সবচেয়ে বেশি ক্রিকেট খেলেছি, বাকি দেশগুলোর তুলনায়। সেই দিক থেকে আমরা মানসিকভাবে ভালো অবস্থানে আছি। এই জন্যই আমি বিশ্বাস করি, এই সিরিজটি খুবই প্রতিযোগিতা পূর্ণ হবে।’

দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজে কোনো ম্যাচেই জয়ের মুখ দেখেনি জিম্বাবুয়ে। কিন্তু তাদের বিপক্ষে বেশ ভালোই খেলেছে জিম্বাবুয়ে। প্রতিটি ম্যাচেই স্বাগতিকদের বেশ চাপেই রেখেছে জিম্বাবুয়ে। তাই স্বভাবতই জয়ের আশা দেখছেন জিম্বাবুয়ের এই তারকা, ‘হ্যাঁ, অবশ্যই। সিরিজটি প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হবে। আমাদের খেলোয়াড় আছে ভালো করার মতো। আমাদের কয়েকজন তরুণ ক্রিকেটার উঠে এসেছে।

একই সঙ্গে অভিজ্ঞ ক্রিকেটাররাও আছে। হ্যাঁ, আমি মনে করি এখানে ম্যাচ জেতার মতো দল আমাদের আছে। আমরা দক্ষিণ আফ্রিকায় কোনো ম্যাচ না জিতলেও অনেক ইতিবাচক দিক অর্জন করেছি। আমরা তাদের কয়েকবার শেষ পর্যন্ত টেনে নিয়ে গিয়েছি। সেই দিক থেকে ছেলেরা এই সিরিজে ভালো করার অপেক্ষায় থাকবে।’