আমাদের মধ্যে একটা সুস্থ প্রতিযোগিতা ছিল

১৯৮০ সালের শুরুর দিকে আমাদের পরিচয়। প্রায় ৪০ বছর একে অপরের সুখে-দুঃখে, মানে-অভিমানে পাশে থেকেছি। একসঙ্গে প্রচুর শো করেছি, দেশ-বিদেশে ঘুরেছি। অকস্মাৎ এভাবে আমাদের সবাইকে ছেড়ে চলে যাবেন, মানতেই পারছি না। রকসংগীতে তাঁর অবদান চিরদিন মনে রাখবে এই জাতি। তিনি বাংলা সংগীতের কিংবদন্তি।

অত্যন্ত উদার মনের মানুষ ছিলেন, রসবোধও প্রচণ্ড। আমাদের সম্পর্কটা আসলে বলে বোঝানো যাবে না। বিভিন্ন সময়ে কারণে-অকারণে একজন আরেকজনের পাশে ছিলাম। কেউ হয়তো জানবেও না আমাদের হৃদয়ে একে অপরের জন্য কতটা জায়গা।

মিডিয়া আমাদের সম্পর্কের বিচার কিভাবে করেছে সেটা নিয়ে মাথাব্যথা নেই। তবে আমাদের মধ্যে একটা সুস্থ প্রতিযোগিতা ছিল, গান তৈরির প্রতিযোগিতা—এটা ভালো। ছিল না ব্যক্তিগত জেলাসি। যখনই দেখা হয়েছে, একে অপরকে জড়িয়ে ধরেছি। আড্ডায় মেতেছি। এসব টান কিংবা হিডেন সম্পর্কের বিষয়গুলো ভাষায় প্রকাশ করা যাবে না। করতেও চাই না।

আমি এখন বরগুনায়। ঢাকায় থাকলে ছুটে যেতে পারতাম। বরগুনা স্টেডিয়ামে আজ [গতকাল] সন্ধ্যায় একটি রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে গাইতে হচ্ছে। সিদ্ধান্ত নিয়েছি, আজকের কনসার্টটি উনাকে [আইয়ুব বাচ্চু] ডেডিকেট করে করব। কতটা প্রাণ খুলে গাইতে পারব জানি না।

পূজার ছুটিতে পরিবার নিয়ে ঘুরতে বেরিয়েছিলেন। গাড়িতে বসেই আইয়ুব বাচ্চুকে স্মরণ করলেন ওপার বাংলার আরেক কিংবদন্তি।—কালের কন্ঠ অনলাইন