বাংলাদেশের নজর জিম্বাবুয়েকে হোয়াইট ওয়াশ করার

অাজ রোববার (২১ অক্টোবর) তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে স্বাগতিক বাংলাদেশের মুখোমুখি হবে জিম্বাবুয়ে। ওই ম্যাচে হারা যাবে না বলে সতীর্থদের সর্তক বার্তা দিয়েছেন অধিনায়ক মাশরাফি। আর এই সিরিজ থেকেই ২০১৯ বিশ্বকাপের পরিকল্পনা সাজাতে চান বলেও জানান তিনি।

অন্যদিকে, বাজে সময়ে থাকা জিম্বাবুয়ে টাইগারদের ফেভারিট মেনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ক্রিকেট খেলতে চায়। মিরপুরে দু’দলের ম্যাচটি শুরু হবে দুপুর আড়াইটায়।

বাংলাদেশের ক্রিকেট সবচেয়ে বড় বিজ্ঞাপন সাকিব আল হাসান। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ব্যাটিং কিংবা বোলিং দুই বিভাগেই সেরা পারফর্মার। আর তিন ফরম্যাটে বাংলাদেশের সেরা তামিম ইকবালও নেই এই সিরিজে।

স্বস্তির খবর কি জিম্বাবুয়ের জন্য? মোটেও না। কারণ, তাদের ছাড়া গেল মাসে এশিয়া কাপের ফাইনাল খেলা ছাড়াও ২০১৩ সালে নিউজিল্যান্ডকে হোয়াইট ওয়াশের অর্জন আছে বাংলাদেশের। আর সাকিব-তামিম না থাকাটা এক রকম ইতিবাচক হয়ে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ দলের জন্য। কারণ, সামনেই বিশ্বকাপ। তরুণদের বাজিয়ে দেখার দারুণ সুযোগ পাচ্ছেন অধিনায়ক। তবে, পরীক্ষা-নিরীক্ষা যাই হোক না কেন, সতীর্থদের সর্তক বার্তা দিয়েছেন ম্যাশ।

‘যদি বিশ্বকাপকে বেস করেন তাহলে কিছু নতুন খেলোয়াড় নেয়া হয়েছে টিমে যাদের এটাই দেখার সুযোগ। একই সাথে ম্যাচ জেতাটাও খুব গুরুত্বপূর্ণ।’ বলছিলেন মাশরাফি।

অন্যদিকে, জিততে যেন ভুলেই গেছে জিম্বাবুয়ে। এমন অবস্থায় প্রতিপক্ষ যখন হোম কন্ডিশনের বাংলাদেশ, তখন কিছু পরিসংখ্যা আরো ভয় পাইয়ে দিচ্ছি আফ্রিকার দেশটিকে। তা হলো- টাইগারদের বিপক্ষে সর্বশেষ ওয়ানডে জয় এসেছে ৫ বছর আগে।

আর শেষ ১০ ওয়ানডেতে জয়ের মুখ দেখেনি তারা। এক মাত্র প্রস্তুতি ম্যাচে বাংলাদেশের ‘বি’টিমের কাছেও পাত্তা পায়নি মাসাকাদজার দল। এমন অবস্থায় জয়ের কথা মুখে বলতেই পারেননি জিম্বাবুয়ে অধিনায়ক।

‘টানা হারের বৃত্তে আছি আমরা। প্রস্তুতি ম্যাচেও হেরেছি। হোম কন্ডিশন আর সার্বিক বিচারে বাংলাদেশই ফেভারিট। তবে, সর্ব্বোচ্চ চেষ্টার করবো প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়তে।’

সিরিজের প্রথম ম্যাচটি বাংলাদেশের জন্য বেশ তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ নিজেদের ইতিহাসে সাড়ে তিনশোতম ওয়ানডে খেলবে টাইগাররা।

দু’দলের বর্তমান প্রেক্ষাপট একেবারেই ভিন্ন। স্বাগতিক বাংলাদেশ যখন প্রতিপক্ষকে হোয়াইট ওয়াশ করতে চাইছে তখন অতিথি জিম্বাবুয়ে একটি জয়ের জন্য তীর্থের কাকের মতো চেয়ে আছে। তবে এই দু’দলের দলীয় পারফরম্যান্সের বাইরে আলাদা করে দৃষ্টি রাখতে হবে তরুণ লিটন, মিঠুন, সাইফুদ্দীনদের দিকে।

কারণ, সিরিজে এই তরুণদের ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সই হতে পারে বিশ্বকাপে সুযোগ এনে দেয়ার চাবিকাঠি।