নিজ হাতের বৈধ উপার্জনই শ্রেষ্ঠ

দৈনন্দিন জীবনে খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা ও চিকিৎসাসহ মৌলিক প্রয়োজন পূরণে উপার্জনের বিকল্প নেই। এসব প্রয়োজন পূরণে নিজ হাতের বৈধ উপার্জনই শ্রেষ্ঠ। হাদিসে পাকে প্রিয়নবী (সা:) তা ঘোষণা করে বলেন- হজরত মিকদাম ইবনে মা’দিকারিব (রা:) বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা:) বলেছেন, কারো জন্য নিজ হাতের উপার্জন অপেক্ষা উত্তম আহার বা খাদ্য আর নেই। আল্লাহর নবি দাউদ আলাইহিস সালাম নিজ হাতের কামাই খেতেন। (বুখারি)

আলোচ্য হাদিসে প্রিয়নবী (সা:) তাঁর উম্মতদেরকে নিজ হাতে উপার্জন এবং পরিশ্রম করে অর্থ উপার্জনের প্রতি উৎসাহ দিয়েছেন। আর এতে রয়েছে অনেক উপকারিতা। কোনো ব্যক্তি কর্মে নিয়োজিত থাকার দ্বারা যেমন তার নিজের উপকার হয় তেমনি অন্যকেও উপকৃত করা সম্ভব হয়। মানুষ যখন কোনো কাজ-কর্মে নিয়োজিত থাকে তখন তার দ্বারা অন্যায়, অশ্লীল এবং অনর্থক সময় ব্যয় সম্ভব হয় না। কর্মে নিয়োজিত থাকার ফলে দম্ভ বা অহংকার থেকে মুক্ত থাকা যায়।

কর্মে নিয়োজিত থাকার ফলে অন্যের বোঝা হওয়া থেকে মুক্ত থাকে মানুষ। ভিক্ষাবৃত্তি ও পরনির্ভরশীলতা পরিহার করে সম্মানের উচ্চ শিখরে আরোহন পূর্বক মর্যাদার আসনে আসীন হওয়া যায়। সর্বোপরি ইবাদত-বন্দেগি কবুলের পূর্বশত-ই হলো হালাল উপায়ে লব্ধ অর্থ দ্বারা জীবিকা নির্বাহ করা।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে নিজ হাতে উপার্জন ও হালাল জীবিকা নির্বাহ করার তাওফিক দান করুন। পরনির্ভরশীলতা, আত্ম-অহমিকা, অহংকার ও ভিক্ষাবৃত্তি থেকে হেফাজত করুন। (অনলাইন থেকে সংগৃহীত।)