খেজুরের পুষ্টিগুণ ও স্বাস্থ্য উপকারিতা

খেজুর অত্যন্ত সুস্বাদু একটি ফল। যা রক্তে শর্করার পরিমাণ বাড়ায় এবং চিনির বিকল্প হিসেবে ধরা হয় । খেজুর শক্তির একটি ভালো উৎস এবং খেজুর খাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই শরীরের ক্লান্তিভাব দূর হয়। এতে আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি। যা মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়ক। চারটি বা ৩০ গ্রাম পরিমাণ খেজুরে আছে ৯০ ক্যালোরি, এক গ্রাম প্রোটিন, ১৩ মি.লি. গ্রাম ক্যা’লসিয়াম, ২ দশমিক ৮ গ্রাম ফাইবার এবং খেজুরের রয়েছে আরও অনেক পুষ্টি উপাদান।

ক্যা’ন্সার প্রতিরোধ: প্রাকৃতিক আঁশে পূর্ণ খেজুর ক্যা’ন্সার প্রতিরোধ করে থাকে। তাই যারা নিয়মিত খেজুর খান, তাঁদের বেলায় ক্যান্সারের ঝুঁকিটাও অনেক কম ।

দুর্বল হৃ’দপিণ্ড: হৃ’দপিণ্ডের সবচেয়ে নিরাপদ ওষুধ খেজুর কে বলা হয়।

দৃষ্টি’শক্তি বৃদ্ধি: খেজুর দৃষ্টিশক্তি বাড়িয়ে রাতকানা প্রতিরোধেও সহায়ক।

মুটিয়ে যাওয়া রোধ: মাত্র কয়েকটি খেজুর ক্ষুধার তীব্রতা কমিয়ে দেয় এবং পাক’স্থলীকে কম খাবার গ্রহণে উদ্বুদ্ধ করে। অল্পতেই শরীরের প্রয়োজনীয় শর্করার ঘাটতি পূরণ করে।

মায়ের বুকের দুধ: খেজুর বুকের দুধ খাওয়ানো মায়েদের জন্য সমৃদ্ধ এক খাবার, যা মায়ের দুধের পুষ্টিগুণ আরো বাড়িয়ে দেয় এবং শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

শিশুদের রোগবালাই: খেজুর শিশুদের মাড়ি শক্ত করতে সাহায্য করে এবং কোনো কোনো ক্ষেত্রে ডায়রিয়াও প্রতিরোধ করে। তাই শুধু রমজান মাসে কেন, বছরজুড়েই খাদ্যতালিকায় থাকুক খেজুর।

হাড় গঠন: ক্যা’লসিয়াম হাড় গঠনে সহায়ক। আর খেজুরে আছে প্রচুর পরিমাণ ক্যা’লসিয়াম, যা হাড়কে মজবুত করে।

অ’ন্ত্রের গোলযোগ: অ’ন্ত্রের কৃমি ও ক্ষতিকারক পরজীবী প্রতিরোধে খেজুর বেশ সহায়ক। অন্ত্রে উপকারী ব্যাকটেরিয়া তৈরি করে।

কো’ষ্ঠকাঠিন্য: খেজুরে আছে এমন সব পুষ্টিগুণ, যা খাদ্য পরিপাকে সাহায্য করে এবং কো’ষ্ঠকাঠিন্য রোধ করে।

সংক্র’মণ রোধ: যকৃতের সংক্রমণে খেজুর উপকারী। এ ছাড়া গলাব্যথা এবং বিভিন্ন ধরনের জ্বর, স’র্দি ও ঠাণ্ডায় বেশ কাজ দেয়।