নান্দাইলে গোডাউন পুড়ে ছাই, অক্ষত পবিত্র কোরআন-জায়নামাজ

ময়মনসিংহের নান্দাইল পৌর সদরের চণ্ডীপাশা স’মিল এলাকায় সোমবার দিবাগত রাতে আবুল খায়ের টোব্যাকো কোম্পানির গোডাউনসহ ছয়টি ঘর অ’গ্নিকাণ্ডে পুড়ে ছাই হয়েছে। তবে পবিত্র কোরআন শরীফ রয়েছে অক্ষত। জ্ব’লন্ত সেই অ’গ্নিকাণ্ডে পুড়েনি কোরআন শরীফের কোনো আরবি হরফ। সেই সঙ্গে অক্ষত রয়েছে দুইটি জায়নামাজ।এতে কেউ হতাহত না হলেও ১৫ লক্ষাধিক টাকার ক্ষ’য়-ক্ষ’তি হয়েছে।

এ খবর ছড়িয়ে পড়ে নান্দাইলের সর্বত্র। তা নিজ চোখে দেখার জন্য উপজেলাসহ বিভিন্ন এলাকার লোকজন এসে ভিড় জমাচ্ছেন অ’গ্নিকাণ্ডের স্থানে। মঙ্গলবার সকালে সংসদ সদস্য মো. আনোয়ারুল আবেদীন খান তুহিন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহম্মদ আবদুর রহিম সুজন, পৌর মেয়র রফিক উদ্দিন ভূঁইয়া ও থানার ওসি মনসুর আহম্মদ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

স্থানীয়রা জানান, ভোররাতে এই অ’গ্নিকাণ্ড ঘটে। আবুল খায়ের টোব্যাকো কোম্পানির গোডাউনসহ ফাহিম ভিলা নামে একটি বাসার ছয়টি ঘর পুড়ে যায়। বাসার ভিতরে ঘুমন্ত অবস্থায় লোকজনদের বের করতে পারলেও আ’গুন বিশালাকারে ছড়িয়ে পড়ায় ঘরের আসবাবপত্র-মালামাল বের করা সম্ভব হয়নি। ফা’য়ার সার্ভিসকে খবর দিলে তারা এসে দ্রুত আ’গুন নিয়’ন্ত্রণে আনে।

তারা আরও জানান, কোম্পানির গোডাউনে মশার কয়েল থেকে এ অ’গ্নিকাণ্ড ঘটতে পারে। টোব্যাকো কোম্পানির প্রতিনিধি আল মামুন জানান, ‘গোডাউনে কোম্পানির বিড়ি, সিগারেট ও ম্যাচ থাকলেও কোনো লোকজন ছিল না। বিদ্যুতের শ’র্টসার্কিট থেকে অ’গ্নিকাণ্ডের সূ’ত্রপাত হতে পারে।’

ফায়া’র সার্ভিসের টিম লিডার রুবেল মিয়া জানান, ‘এ ঘটনায় কেউ হতাহত হননি। তবে আ’গুনের সূত্রপাত ও ক্ষয়ক্ষতির সঠিক পরিমাণ জানতে তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে।’

সূত্র: যুগান্তর।