‘‌আমি অন্ধ, আমাকে মে’রো না’‌

‘‌আমি অন্ধ, আমাকে মে’রো না।’‌ দৃ’ষ্টিশক্তি হীন ছাত্রের কথাও শুনল না এবিভিপির গু’ন্ডারা। তাঁর শরীরে আ’ঘাতের পর আ’ঘাত করল মুখ ঢেকে রাখা ব’র্বররা। হোস্টেলের একতলায় ২৫ বছরের সূর্য প্রকাশের ঘর। স্নাতকোত্তর পাস করে এমফিলের জন্য তৈরি হচ্ছেন তিনি। সম্পূর্ণ দৃ’ষ্টিশক্তিহীন সূর্য সোমবার সকালে আগের দিন রাতের হা’মলার ঘটনা মনে করে শিউরে উঠছেন। রবিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে তিনি নিজের ঘরে পড়াশোনা করছিলেন।

হঠাৎ বাইরে চিৎকার শুনতে পান, সঙ্গে কু’ৎসিত ভাষায় গা’লাগাল। কিছু বুঝে ওঠার আগেই তিনি শুনতে পান, একদল লোক তাঁর ঘরের দরজা ভে’ঙে ভেতরে ঢুকে আসে। ‘‌র’ড দিয়ে আমার পি’ঠে ও হাতে মা’রতে থাকে। আমি চি’ৎকার করতে থাকলাম, আমি অন্ধ, আমাকে মে’রো না। কিন্তু কেউ শুনল না। বলল আমি নাকি মি’থ্যা কথা বলছি।’‌ কিছুক্ষণ পর সূর্য শুনতে পান, কেউ একজন অন্যদের বলল যে আমি সত্যিই অন্ধ। তারপর তারা চলে যায় সূর্যর ঘর থেকে।

দুদিন আগেই তিনি উত্তর প্রদেশে দেওরিয়ার বাড়ি থেকে হোস্টেলে ফিরেছেন। খুব খুশি ছিলেন তিনি। বিতর্ক প্রতিযোগিতায় জিতে এসেছিলেন। কিন্তু সেই আনন্দ এক নিমিষেই উড়িয়ে দিল এবিভিপির গু’ন্ডারা। সোমবার রাতে ঘুমানোর সময়ে তাঁর ভয় করছে। তাঁর বন্ধুরা তাঁকে জানিয়েছেন যে তাঁর খেয়াল রাখবেন।

কিন্তু সূর্য বললেন, রবিবার যে ঘটনা ঘটেছে তারপর আর কীভাবে নিরাপদ লাগবে নিজেকে?‌ আমি এখান থেকে চলে যেতে চাই।‌ তিনি আ’তঙ্কিত হয়ে জানালেন, তাঁর ফোনে বেশ কিছু হু’মকির ফোন আসতে থাকে। তাঁকে বলা হয়, তিনি যেন কারো কাছে কিছু না বলেন।-কালের কণ্ঠ অনলাইন