এলিয়ান অবশ্যই রয়েছে, পৃথিবীতেও থাকতে পারে, জানালেন মহাকাশচারী

এলিয়ান অবশ্যই রয়েছে। এমনই জোরালো দাবি করলেন ব্রিটেনের প্রথম মহাকাশচারী। শুধু এইটুকু বলে তিনি থামেননি। তিনি জানিয়েছেন, এই পৃথিবীতেও থাকতে পারে এলিয়ানরা। কিন্তু এখনও তাঁদের সনাক্ত করা যায়নি। হেলেন শরমন, যিনি কিনা ব্রিটেনের প্রথম মহাকাশচারী, তিনি অবজারভার সংবাদপত্রকে জানিয়েছেন, “এলিয়ান আছে, এই নিয়ে কোনও দ্বিমত নেই।” তিনি বলেন, মহাকাশে অসংখ্য নক্ষত্র রয়েছে এবং যার মধ্যে প্রাণ থাকবেই।

তিনি যোগ করেন, “তারা হতে পারে আমার, আপনার মতো কার্বন এবং নাই’ট্রোজেনের তৈরি। আবার নাও হতে পারে। তিনি বলেন, হয়তো আমার-আপনার চারপাশে তারা রয়েছে। কিন্তু আমরা দেখতে পাচ্ছি না। তিনি বলেন, আমাদের অজান্তেই তারা হয়তো পৃথিবীতে রয়েছে। এই হেলেন শরমন ব্রিটেনের প্রথম মহাকাশচারী। তিনি ১৯৯২ সালে ব্রিটেনের প্রথম মহাকাশচারী হিসেবে মহাকাশে যান। তখন তাঁর বয়স ছিল মাত্র ২৭।

একটি গুরুত্বপূর্ন মহাকাশ গবেষণা সংক্রান্ত কারণে আটদিন মহাকাশে কাটিয়েছিলেন তিনি। অল্প বয়সী মহাকাশচারীদের মধ্যে তাঁর নাম অন্যতম। বর্তমানে তাঁর বয়স ৫৬ বছর। ইন্টারভিউতে শরমন বলেন “পৃথিবীতে ওপর থেকে দেখার চেয়ে বেশি সৌন্দর্য আর অন্য কিছুতে নেই।” তিনি বলেন, “আমি যখন এটা প্রথম দেখি, তা ভুলতে পারব না।” এলিয়ান সংক্রান্ত দাবির পাশাপাশি পুরুষ ও মহিলা সম্পর্কিত বৈষ’ম্যমূলক আচরণেরও তীব্র বিরো’ধিতা করেন হেলেন শরমন।

তিনি বলেন, “অনেকেই আমাকে ব্রিটেনের প্রথম মহিলা মহাকাশচারী বলেন। কিন্তু আসলে আমি ব্রিটেনের প্রথম মহাকাশচারী।” তবে শুধু শরমন একা নন। একই রকম বক্তব্য রেখেছেন একজন প্রাক্তন পেন্টাগন অফিসার। তিনিও বলেন, এমন প্রমাণ রয়েছে যার থেকে বিশ্বাস করা যায় পৃথিবীর বাইরেও এলিয়ানরা রয়েছে।-কলকাতা ২৪x৭