এখনই সব শেষ হয়নি, ব’দ’লা আরও নেওয়া বাকী আছে : ইরান

চারদিনের মধ্যে তিনবার ইরাকে মার্কিন সেনাঘাঁ’টি ল’ক্ষ্য করে হা’ম’লা। বৃহস্পতিবার ভোররাতে বাগদাদের গ্রিন জোনে র’কে’ট হা’ম’লা হয়। সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয়েছে, ইরানের রেভেলিউশনারি গার্ডের নির্দেশেই এই হা’ম’লা। তবে অন্য একটি সূত্র জানাচ্ছ, রকেট হা’ম’লার পিছনে স’শ’স্ত্র ইরাকি মিলিশিয়ার একটি ইউনিট।

রকেট হা’ম’লার জে’রে পশ্চিম এশিয়ায় নতুন করে যু’দ্ধের কালো মেঘ। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বুধবারের বার্তায় কিছুক্ষণের স্বস্তি। তার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই পরিস্থিতি আমূল বদলে গেল। ট্রাম্পের ঘোষণার পরই বাগদাদের গ্রিন জোনে ফের রকেট হামলা। ইরানের রেভেলিউশনারি গার্ড কর্পের নির্দেশেই হা’ম’লা হয়েছে। ইরানী সেনার একটি সূত্র আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে দাবি করে। এই বাহিনীরই প্রধান ছিলেন মার্কিন হা’নায় নি’হ’ত কাসেম সুলেমানি ।

পশ্চিয় এশিয়া বিশেষজ্ঞদের আ’শ’ঙ্কা, রেভেলিউশনারি গার্ড মাঠে নামায় ইরাক ও ইরানের প’রি’স্থি’তি যে কোনও মুহূর্ত হাতের বাইরে যাওয়ার আ’শ’ঙ্কা। আমেরিকা বিরো’ধিতায় আরও কাছাকাছি আসছে ইরাক – ইরান। সেটাও ট্রাম্প প্রশাসনের কাছে বড় আ’শ’ঙ্কা। সুলেমানির সঙ্গেই নি’হ’ত হন ইরাকের নেতার আবু মাহদি আল মুহান্দিস। মুহান্দিস ইরাকের স’শ’স্ত্র বাহিনী হাশেদ আল শাবির প্রধান ছিলেন। এই আল-শাবি নিয়েও মা’থাব্য’থা বাড়ছে ট্রাম্প প্রশাসনের।

ইরাকি সেনার সঙ্গেই কাজ করেন হাশেদ আল শাবি। বিদ্রো’হী অ’স্ত্রধা’রী সংগঠন হিসাবে কাজ শুরু করলে তবে বর্তমানে ইরাকি সেনার ইউনিট হিসাবে কাজ করে এই বাহিনী। যদিও সরকারিভাবে সেনার অংশ হিসাবে দেখানো হয় না। শুক্রবার মার্কিন ড্রো’ন হা’নায় সুলেমানির সঙ্গেই মৃ’ত্যু হয় হাশেদ আল শাবির শীর্ষ কমান্ডার আবু মাহদি আল মুহান্দিসের। ব’দ’লা নিতে ইরাকের এই সংগঠন মার্কিন ঘাঁ’টি ও সেনার ওপর হা’ম’লা চালাতে পারে বলে আ’শ’ঙ্কা করা হচ্ছে।