সিলেটে এক লি’ভারের দুই শিশু

সিলেটে দরিদ্র এক দম্প’তির ঘরে জো’ড়া লাগানো দুটি কন্যা সন্তা’নের জ’ন্ম হয়েছে। সন্তান দুটির একটি লি’ভার রয়েছে। তাদের দুজনেরই পেট জোড়া লাগানো। গত ২৫ জানুয়ারি সিলেটের এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এ জোড়া সন্তা’নের জ’ন্ম হয়। সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার ফতেপুর গ্রামের হাফেজ মামুনুর রশিদ তাদের বাবা।

জানা গেছে, গত ২৬ জানুয়ারি সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অ’ন্তঃস’ত্ত্বা ফাতেমা বেগমকে ভর্তি করা হয়। ওই দিন দুপুরেই অ’স্ত্রোপ’চারের মাধ্যমে পেট জোড়া লাগানো অব’স্থায় দুটি সন্তান ভূমি’ষ্ট হয়। চিকি’ৎসকরা জানিয়েছেন, শিশু দুটি স্বাভাবিক আছে। তবে তাদের শরী’রের তাপ’মাত্রা কিছুটা ওঠানামা করছে।

লি’ভার ছাড়া বাকি সব অ’ঙ্গ-প্র’ত্যঙ্গ আলাদা ও কার্যকর আছে। লি’ভার সংস্থা’পনের মাধ্যমে শিশু দুটিকে আলাদা করা যাবে বলে জানান তারা। ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশু সা’র্জারি বিভাগের বিভাগী প্রধান অধ্যাপক ডা. মো. নুরুল আলম বলেন, মেয়ে দুটি এখন সু’স্থ আছে। তাদের দুজনের একটি লি’ভার। লিভার দুটি সংস্থা’পন করা হলে আলা’দাভাবে সু’স্থ হয়ে ওঠবে।

তিনি বলেন, আমাদের হাসপাতালে শিশু দুটিকে আলাদা করা সম্ভব। কিন্তু অ’স্ত্রো’পচারের কিছু মেশিন না থাকায় আমরা পারছি না। তবে ঢাকায় বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে নিয়ে অ’স্ত্রো’পচারের মাধ্যমে আলাদা করতে শিশু দুটির অভিভাবককে পরামর্শ দেয়া হয়েছে।

শিশু দুটির দাদা শওকত আলী জানান, প্রথমে জো’ড়া লাগানো অবস্থায় শিশুদের দেখে আমরা ভয় পেয়েছিলাম। তবে চিকিৎ’সকরা আমাদের আশ্ব’স্ত করায় কিছুটা ভয় কেটেছে। আর্থিক অব’স্থা ভালো না থাকায় এখনো ঢাকায় নেয়া সম্ভব হচ্ছে না। আমরা চে’ষ্টা করছি যত দ্রুত সম্ভব চিকিৎ’সকদের পরামর্শ নিয়ে ঢাকায় গিয়ে শিশু দুটিকে আলাদা করব।

ওসমানী হাসপাতালের উপপরিচালক ডা. হিমাংশু লাল রায় জানান, এ দুটি শিশু ও তাদের মায়ের স্বা’স্থ্যের বিশেষ নজর রাখা হচ্ছে। তাদের সর্বোচ্চ সেবা প্রদান করছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।-ডেইলি বাংলাদেশ