মুশফিকের ভাবনায় ছিল ৩০০ রান

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে এই মাঠেই দুইশ (২১৯) রানের ইনিংস খেলেছিলেন মুশফিকুর রহিম। ২০১৮ সালের নভেম্বরে সেই ম্যাচেও প্রতিপক্ষ ছিল এই জিম্বাবুয়ে। এর পর লম্বা সময় কেটে গেছে, খেলেছেন পাঁচটি টেস্ট। এই পাঁচ টেস্টে মুশফিকের সর্বোচ্চ রান ছিল ৬৪ ও ৭৪। অর্ধশতকের এই দুটি ইনিংসই ছিল ভারতের বিপক্ষে ইন্দোরে ও কলকাতায় দিবারাত্রির টেস্টে।

পাকিস্তানে টেস্ট ম্যাচ থাকলেও ব্যক্তিগত কারণে এই সফরে না যাওয়া মুশফিক জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টেস্ট ম্যাচটির জন্য প্রস্তুতি নিয়েছিলেন বিসিএলে। ইস্ট জোনের বিপক্ষে খেলেছেন ১৪০ রানের ইনিংস। তার ঠিক দশ দিনের মাথায় মুশফিক উদযাপন করলেন দ্বিশতকের ইনিংস খেলে। মুমিনুলকে সঙ্গে নিয়ে মধ্যাহ্ন বিরতির পরই শতক পূর্ণ করা মুশফিক দিনের শেষ সেশনে তুলে নেন ক্যারিয়ারের তৃতীয় ডাবল শতক।

মুশফিকের দুইশ (২০৩*) রান পূর্ণ করার পরই আসে ইনিংস ঘোষণা। ৬ উইকেটে ৫৬০ রানে ইনিংস ঘোষণা করে বাংলাদেশ। যদিও মুশফিককে বলে দেয়া হয়েছিল দিনের শেষ সেশনে কয়েক ওভার খেলতে দেয়া হবে জিম্বাবুয়েকে তাই অপেক্ষা ছিল মুশফিকের দুই শতকের। তবে মুশফিকের ইচ্ছা ছিল ইনিংসটা আরও বড় করার। হতে পারত তিনশ রানও।

‘৩০০ করার তো সুযোগ দিলো না। সুযোগ দিলে হয়তো চেষ্টা করতাম আরকি। ভবিষ্যতে যদি আরও সুযোগ থাকে অবশ্যই হবে। আর শুধু একটা না, বিশ্ব ক্রিকেটে দেখেন একটা, দুইটা না অনেক ত্রিপল সেঞ্চুরি আছে। তারা যদি করতে পারে আমাদের বাংলাদেশি ব্যাটসম্যানরা কেন করতে পারবে না।’

আরেকটা দ্বিশতকের ইনিংসের জন্য মুশফিক কৃতিত্ব দিয়েছেন মিরপুরের উইকেটেরও।
‘আমি মনে করি যে, সবচেয়ে সহজ উইকেট ছিল। ব্যাটিংয়ের জন্য উইকেটটা অনেক আদর্শ। ওদের খুব বেশি যে আহামরি থ্রেট ব্রোলার, সুইং, রিভার্স সুইং বা স্পিন করছিল এমন বোলার নেই। তাই একটু আমার কাছে সহজ মনে হয়েছে।’