আপনারাই প্রকৃত হিরো, ইতালির চিকিৎসকদের শোয়েব আখতার

করোনাভাই’রাসের জেরে ইওরোপের দেশগুলির মধ্যে সবচেয়ে খারাপ দশা ইতালির।দেশের প্রায় এক চতুর্থাংশ হাসপাতালের আইসিইউ ভর্তি। সেই ইতালিতে হাসপাতালে ঘুম, ছুটি, বাদ দিয়ে অহর্নিশ অক্লান্ত পরিশ্রম করে চলেছেন দেশের সব চিকিৎসক, নার্স এবং স্বাস্থ্যকর্মীরা। তাদের এরকম পরিশ্রমকে সম্মান জানাচ্ছে পুরো বিশ্ব। এবার তাদের সম্মান জানিয়েছেন পাকিস্তানের সাবেক ক্রিকেট শোয়েব আখতার।

এক টুইটে ডাক্তার-নার্সের ছবি পোস্ট করে তিনি লেখেন, “কিছু ডাক্তার এ নার্স, দীর্ঘ সময় ধরে ইন্টেনসিভ কেয়ারে কাজ করার পর। আপনারাই প্রকৃত হিরো, দোয়া আপনারদের জন্য।”  ইতালির টুরিন শহরের একটা হাসপাতালে তাদের সব কর্মীদের মানসিক চাপ কমাতে মনোবিদদের সাহায্য নিয়েছে। সাধারণত, ইতালির অর্থনৈতিক অঞ্চল বলে পরিচিত লম্বার্ডি বিশ্বের সেরা স্বাস্থ্য পরিষেবা মেলা অঞ্চলগুলির মধ্যে অন্যতম। সেখানেই স্বাস্থ্য পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত মানুষদের এই দশায় চিন্তিত বহু মানুষই।

এদিকে, হিন্দু-মুসলিম ধর্মের বিভেদ ভুলে করোনারভাই’রাসের বিরু’দ্ধে লড়াই করার আহ্বান জানিয়েছেন শোয়েব আখতার। এমন পরিস্থিতি মোকাবেলায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে বার্তা দিয়েছেন পাকিস্তান কিংবদন্তি। ব্যক্তিগত ইউটিউব চ্যানেলে ক্রিকেট সংক্রান্ত বিভিন্ন ইস্যুতে কথা বলেন শোয়েব। ভয়াবহ এই স’ঙ্কটের দিনে সবাইকে এক হতে বলেন তিনি। ‘বিশ্ব এখন কঠিন সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। বিশ্ববাসী এখন গৃহবন্দি। করোনার বি’রুদ্ধে সবাই লড়াই চালাচ্ছে।

এই সময়ে সবারই দূরত্ব বজায় রাথা উচিত, তবে মানবিক হতে ভুলবেন না। মানবিক হয়ে এখন হিন্দু-মুসলিম ধর্মের বিভেদ ভুলে বিপ’দের সময় অসহায়দের সাহায্য করুন। অর্থনৈতিক বা বর্ণের ভেদাভেদ দেখবেন না। অন্যদেশগুলোর মতো পাকিস্তানেও করোনা হানা দিয়েছে। উপমহাদেশের আর পাঁচটা দেশের মতো করোনার বি’রুদ্ধে লড়াই চালাচ্ছে পাকিস্তান।’ করোনা এখন বিশ্বসংকট উল্লেখ করে শোয়েব বলেছেন,‘সেই কারণেই আমাদের করোনার বিরু’দ্ধে সবরকম শক্তি দিয়ে লড়াই চালাতে হবে। লকডাউন ভাই’রাস আট’কানোর অন্যতম সেরা উপায়। তাই বাড়ি থেকে না বের হওয়াই এখন সবচেয়ে বেশি নিরাপদ।’

যারা সামার্থ্যবান এমন বিপদের সময় দরিদ্র জনগোষ্টিকে সহায়তা করতে এগিয়ে আসা উচিৎ বলে মনে করেন শোয়েব। ‘ধনীরা গৃহবন্দি থাকলে অসুবিধে হওয়ার কথা নয়, তাদের অর্থ সমর্থ রয়েছে। তবে গরীবরা দিনরাত কাজ করে খাবার যোগায়। তাই গরীবরা কাজ না করলে খাবে কী! সেই কারণেই এই পরিস্থিতিতে অর্থনৈতিক বিভেদ ভুলে ধনীদের গরীবের পাশে এগিয়ে আসা উচিত। এখন সমাজের সবার একসঙ্গে লড়াই করার সময়।’