মিরপুর স্টেডিয়াম হতে পারে অস্থায়ী হাসপাতাল

করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রয়োজনে মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামকে অস্থায়ী হাসপাতালে রূপান্তর করা হবে বলে জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল। তিনি বলেন, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলেও বিদেশ সফরে ভাই’রাস সংক্র’মণ থেকে ক্রিকেটারদের নিরাপদ রাখতে বাড়তি নজর দেবে ক্রীড়া মন্ত্রণালয়।

করোনায় অব’রুদ্ধ ৫৬ হাজার বর্গমাইল। বন্ধ প্রায় সব সরকারি প্রতিষ্ঠান ও মন্ত্রণালয়। যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী এই সময়টায় সাবধান। বাড়িতে প্রবেশের আগে জীবাণুনা’শক দিয়ে পা পরিষ্কার করেন। হাত ধুতেও ভোলেন না। পরিস্থিতি কঠিন হচ্ছে প্রতিদিন। জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের সঙ্গে আলোচনা করে দুঃসময়ে দেশের স্টেডিয়ামগুলোকে অস্থায়ী হাসপাতালে রূপান্তরের কথাও ভাবছে ক্রীড়া মন্ত্রণালয়। আর এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীও।

ক্রীড়া-প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল বলেন, মিরপুর ও বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামসহ আমরা প্রতিটি স্টেডিয়ামকে হাসপাতাল বানানো জন্য আমরা প্রস্তুত আছি। যেখানে ক্রিকেট বোর্ডের সঙ্গে আমরা কথা হয়েছে। মানুষের বিপদে আমরা তাদের পাশে দাঁড়াতে চাই। এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সে নির্দেশনা আমাদেরকে দিয়েছেন। কোভিড নাইন্টিনের ছোবলে ব্যাট-প্যাড তুলে বাড়িতে একরকম শীত নিদ্রায় ক্রিকেটাররা। তবে একদিন ঝড় থেমে যাবে। মাঠে ফিরবে ক্রিকেট। প্রার্থনা সবার। তবুও শঙ্কা উড়িয়ে দেয়া যায় না। ভবিষ্যতে বিদেশ সফরে ক্রিকেটারদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় বাড়তি নজর দেবে মন্ত্রণালয়।

পূর্বাচলে অত্যাধুনিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে অনেক আগে। যদিও এখনো দরপত্র আহ্বানে পরামর্শক প্রতিষ্ঠান চূড়ান্ত হয়নি। তবে, এই শেখ হাসিনা আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামের কাজ দ্রুত এগিয়ে নিতে চায় মন্ত্রণালয়।

জাহিদ বলেন, সারা বিশ্বে অন্যতম সেরা স্টেডিয়াম আমরা করতে যাচ্ছি। সব ধরনের সুযোগ সুবিধা এখানে থাকবে। খুব দ্রুতই এর কাজ শুরু হবে। করোনা পরিস্থিতি কাটিয়ে মুজিব বর্ষে শিগগিরই মাঠে ফিরবে খেলা, সেই প্রত্যাশায় দিন গুনছেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী। সে পর্যন্ত সবাইকে সচেতনতা অবলম্বনের অনুরোধ করেন তিনি।

সূত্র: সময় সংবাদ