‘আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি’

সংগৃহীত ছবি

গ্রামের চির-সবুজ নয়নাভিরাম প্রাকৃতিক দৃশ্য দেখে চোখ জুড়ায় যে কারও। প্রকৃতির চিরচেনা সুন্দর ও সচ্ছল গ্রামের রূপ-বৈচিত্র্য অটুট থাকুক যুগ যুগ। আবহমান গ্রাম-বাংলার রূপ বৈচিত্র্য যেন বিলুপ্ত না হয়। গ্রামের সৌন্দর্য যে কাউকেই মুগ্ধ করে। বিশেষ করে যারা শহরে থাকেন তাদের অনেকেরই মন কিন্তু পড়ে থাকে গ্রামের মেঠো পথে প্রান্তরে।

আবহমান বাংলার চির সবুজ অপূর্ব দৃশ্য। আজ বলতে ইচ্ছেই করে ‘আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি।’ গায়কের ভাষায় গাইতে ইচ্ছে করে ‘লোকে বলে বলেরে ঘরবাড়ি ভালা নায় আমার / কি ঘর বানাইমু আমি শূ্যনে্যরও মাঝার….।’

গ্রামের সবুজ নয়নাভিরাম প্রাকৃতিক দৃশ্য দেখলে চোখ জুড়িয়ে যাবে যে কারও। গ্রামের মায়ামাখা দৃশ্যগুলো চিত্তে অনেক শান্তি দেয়।​ ইট-পাথরের শহরের খুপড়ি ঘরে সবই কৃত্রিম। অথচ ছায়ায় ঘেরা মায়ায় ভরা গ্রাম, আঁকা-বাঁকা বয়ে চলা নদী-খাল, সবুজ শ্যামল মাঠ সবকিছুই প্রাকৃতিক। গ্রামের মাঠজুড়ে সবুজ ফসলের মাঠ। দখিনা বাতাস দোলা দেয় সে ফসলকে। আঁকাবাঁকা নদীর দু’তীরে অবারিত সবুজ মাঠ। মাঝে মাঝে গ্রাম আবার মাঠ। গ্রামগুলো মাঠের সঙ্গে মিশে অনেক জায়গায় এক হয়ে গেছে।

গ্রামের সারি সারি গাছপালা, আঁকা-বাঁকা মেঠোপথ, ফসলের ক্ষেত, বসতবাড়িতে শান বাঁধানো পুকুর ঘাট। সবকিছুই দেখলে মনে হবে এ যেন শিল্পীর রংতুলি দিয়ে আঁকা কোনো ছবি। প্রকৃতির চিরচেনা সুন্দর ও সচ্ছল গ্রামের রূপ-বৈচিত্র্য অটুট থাকুক যুগ যুগ। আবহমান গ্রাম-বাংলার রূপ বৈচিত্র্য যেন বিলুপ্ত না হয়।