সৃষ্টি আর প্রকৃতির নিয়মে ‘মা’ মহামায়া

সৃষ্টি আর প্রকৃতির নিয়মে ‘মা’ মহামায়া। হোক প্রাকৃতিক বা পারিবারিক, সব বাধা দূরে ঠেলে সন্তানের বিপদে মা ছায়া হয়ে থাকেন পাশে। চোখ খুলেই নবজাতক প্রথম যার দৃষ্টি জোড়ার ভালোবাসার বৃষ্টিতে সিক্ত হন তিনি মা। ধীরে ধীরে মায়ের কোল পেরিয়ে অবাক পৃথিবীটায় অভ্যস্তও হয় সে। সন্তানের রোজকার দিন যাপনের গ্লানি, দুর্যোগ আর দুর্দশার সীমাবদ্ধতাকে, স্পর্ধায় যিনি চোখ রাঙান তিনি মা আর তিনিই অপ্রতিরোধ্য। যেন, মা-ই দশভুজা। সন্তানের দুঃখে যেমন সমব্যথী, তেমনি সহ্য ধৈর্য আর অধ্যবসায়ের শেষ সীমাতেও তিনি মানেন না পরাজয় তাই তিনি অপরাজিতা।

প্রত্যাশা প্রাপ্তির কোনো হিসাব নেই। সন্তানকে ঘিরে মায়েদের এগিয়ে চলার অনুভূতি তবু স্বর্গীয়। স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ ড. নওশিন শারমিন পূরবী বলেন, আমি একজন স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ। আমার কাছে অনেক মা আসেন। তারাও তাদের পরিবারের কাছে কতটা গুরুত্বপূর্ণ আমি যখন মা হয়েছি তখন বুঝেছি। এটিএন নিউজ এর স্টাফ রিপোর্টার সাদিয়া আফরোজ বলেন, এ সময় এতবেশি সুন্দর, প্রফুল্লতা বা উচ্ছ্বাসের সেটি কখনও কাউকে বলে বুঝানো সম্ভব না। সেটি একমাত্র নতুন মা বুঝতে পারবে।

হোক শত বাধা বিপত্তি, মহামারি বা দুর্যোগ। সন্তানের সুরক্ষার প্রশ্নে আপসহীন ঢাল হয়ে দাঁড়িয়ে থাকা সম্মুখ যোদ্ধা বরাবরই মা। বন্ধু ও বন্ধুর উভয় পরিস্থিতিতে সন্তানের আশ্রয় ও ভরসার প্রতিশব্দ হয়ে ওঠেন মা। মা মানে রংধনুর সাত রং। কখনও বাধা নিষেধের বন্ধ দরজা আবার কখনও ভালবাসার মুক্ত আকাশ। সন্তানেরা সব সময় থাকুক দুধে ভাতে পরম মমতায়, যত্নে আর ভালবাসায়- মা দিবসে এমনই প্রার্থনা প্রতিটি মায়ের।

সূত্র: সময় নিউজ।