যশোরের মার্কেটে মানুষের ঢল!

স্বাস্থ্যবিধি মেনে সীমিত পরিসরে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খোলার অনুমতি দেওয়ার পর রোববার প্রথমদিন যশোর শহরের দোকান ও মার্কেটগুলোতে করোনা সংক্রমণ উপেক্ষা করে মানুষের ঢল নামে। বিশেষ করে পোশাকের দোকানগুলোতে ক্রেতাদের বেশি উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। বেশির ভাগ দোকানে দেখা গেছে ক্রেতা ও বিক্রেতা মাস্ক ব্যবহার করলেও তারা কেউই গ্লাভস ব্যবহার না করেই পোশাক হাতে নিয়ে দেখছেন।

যশোর শহরের জেলা জজ কোর্ট মার্কেট, কালেক্টরেট মার্কেট ও বড়বাজারের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোতে ভিড় দেখা গেছে। এসব দোকানে সঠিকভাবে মানা হচ্ছে না স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দূরত্ব।উল্টোচিত্র অভিজাত বিপণিবিতানগুলোতে। শপিংমলগুলোতে প্রবেশের আগেই মার্কেটের কর্মীরা জীবাণুনাশক দিয়ে ক্রেতাদের হাত ও পা ভিজিয়ে দিচ্ছেন। এছাড়া দোকানগুলোতে কর্মীরা মাস্ক, গ্লাভস ও মাথায় টুপি পরে ক্রেতাদের সামনে পোশাক উপস্থাপন করছেন।

মার্কেট মালিকদের দাবি, দোকানিরা স্বাস্থ্যবিধি না মানলে তারা মার্কেট বন্ধ করে দেবেন। আর এ উদ্যোগে ভয়হীনভাবে কেনাকটা করতে পেরে খুশি ক্রেতারাও।সালাম হোসেন নামে এক ক্রেতা বলেন, ‘অনেকদিন পর দোকান খুললো। ভয় লাগলেও প্রথম দিনেই পরিবারের সবাইকে নিয়ে মার্কেটে এসেছি। যাতে কিছুটা নিরাপদ থাকা যায়। তবে গ্লাভস না পরে এসে ভুল করেছি। চিন্তা করছি আজই সব কেনাকাটা শেষ করে ফিরবো, যাতে আর মার্কেটে না আসতে হয়।’

রাজ্জাক আলী নামে এক দোকানি বলেন, ‘মার্কেটের গেটে জীবাণুনাশকের ব্যবস্থা করা হয়েছে তাই গ্লাভস না পরেই কাজ করছি। তবে গ্লাভস পরা জরুরি ছিল। ভুল হয়েছে।’এদিকে, দোকানপাট খুলে দেওয়া প্রসঙ্গে বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি (মার্কসবাদী) যশোর জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক জিল্লুর রহমান ভিটু বলেন, ‘ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খোলার সিদ্ধান্ত আত্মঘাতী। এ সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের জন্য আমরা ৯ মে মানববন্ধন করেছি। আজ শহরে বের হয়ে দেখলাম মানুষের ঢল। একজন আরেকজনের ঘাড়ের ওপর উঠে যাচ্ছে। সরকার জনগণকে বিপদে ফেলে দিচ্ছে। আর জনগণ সচেতন নয়; তারা আত্মহুতি দিতে প্রস্তুত। এর ফল জনগণ ও সরকারকেই নিতে হবে।’

তথ্য সূত্র : জুমবাংলা