মধ্যরাতের ঝড়ে বেসামাল চুয়াডাঙ্গা

চুয়াডাঙ্গায় বৃহস্পতিবার রাতে ঝড় ও প্রবল বৃষ্টিপাতে পুরো জেলা বেসামাল হয়ে পড়েছে। মহাসড়কে উপড়ে পড়েছে গাছ। এদিকে বিদ্যুৎ লাইনের তার ছিড়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে জেলাজুড়ে। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) রাতে চুয়াডাঙ্গায় সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে ৩১ মিলিমিটার। এসময় আর ঘন্টায় ঝড়ের গতিবেগ ছিল ৫৬ কিলোমিটার। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সর্বশেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত এখনো গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি হচ্ছে সেখানে।

চুয়াডাঙ্গা আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সকাল থেকে জেলায় তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়ায় জনজীবন কষ্টকর হয়ে পড়ে। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সন্ধ্যার পর থেকে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন হয়। রাত সাড়ে ৯টা থেকে ঝড়ো হাওয়া ও বজ্রপাত শুরু হয়। রাত সাড়ে ১১টার দিকে তুমুল বৃষ্টি শুরু হয়ে ১২টা পর্যন্ত স্থায়ী হয়। পরে গুড়িগুড়ি বৃষ্টিপাত চলতে থাকে।চুয়াডাঙ্গায় সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয় ৩১ মিলিমিটার। ঝড়ের গতিবেগ ছিল ঘন্টায় ৫৬ কিলোমিটার। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আর সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ২৫.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

ঝড়ের গতিবেগ বেশি থাকায় চুয়াডাঙ্গা জেলা শহরসহ বিভিন্ন স্থানে গাছ উপড়ে পড়েছে। ডাল ভেঙে পড়ে বিদ্যুৎ লাইনের তার ছিঁড়ে পড়ায় জেলায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। চুয়াডাঙ্গা ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন অফিস জানায় বিদ্যুৎ লাইনের তারও ছিড়ে গিয়েছে। যার কারণে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। লাইন মেরামতের কাজ চলছে। কখন বিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্বাভাবিক হবে বোঝা যাচ্ছে না। অনেক গ্রাহক জানাচ্ছে গাছের ডাল ভেঙে পড়ে তার ছিড়ে গেছে।

চুয়াডাঙ্গায় সদর থানা পুলিশের কয়েকটি টহল দল শহরের রাস্তায় ঝড়ে ভেঙে পড়ে থাকা গাছ গুলো সরানোর কাজ করছে। যোগাযোগ স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ সদস্যরা কাজ করে যাচ্ছেন। চুয়াডাঙ্গা আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ছামাদুল ইসলাম জানান, তাপমাত্রা বেশি থাকায় গরম বেশি অনুভূত হয়েছে। দুই দিন ধরে তাপমাত্র কিছুটা বেশি। সন্ধ্যা থেকে আকাশ মেঘলা ছিল। ঝড়ের গতিবেগ গত দিনের চেয়ে ১৬ কিলোমিটার বেশি ছিল।

সূত্র: সময় নিউজ।