সামনে ভয়াবহ যে ১০ দুর্যোগ

বিশ্বে বিভিন্ন প্রান্তে প্রতি বছরই ভয়াবহ নানা দুর্যোগ দেখা যায়। সাম্প্রতিক সময়ে ক্যালিফোর্নিয়ায় দাবানল, অস্ট্রেলিয়ায় দাবানল আর বিভিন্ন দেশে পঙ্গপালের হামলার পর গোটা বিশ্বজুড়ে চলছে করোনাভাইরাস বা কোভিড-১৯ মহামারি।

বিজ্ঞানীর গবেষণায় উঠে এসেছে আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য। একবিংশ শতকেও পৃথিবীর উপরে আঘাত হানতে পারে বহু প্রাকৃতিক বিপর্যয়।

১. ভয়ানক সৌর ঝড়: আগামী একদশকের মধ্যেই পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসতে চলেছে ভয়ানক সৌর ঝড়। বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, বিশ্বের প্রায় সমগ্র প্রান্তেই এ ঝড়ের প্রভাব পড়বে।

২. ক্যালিফোর্নিয়ায় ভূমিকম্প: বিধ্বংসী ভূমিকম্পের সম্মুখীন হতে চলেছে ক্যালিফোর্নিয়া। রিখটার স্কেলে আট কিংবা তার থেকেও বড় মাপের ভূমিকম্প হতে পারে বলে দাবি করেছে ভূমিকম্প গবেষক সংস্থা ইউএসজিএস।

৩. ক্যারিবিয়ান সাগরে সুনামি: লন্ডন কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় এবং ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের মতে ভয়াবহ সুনামি দেখা দিতে পারে ক্যারিবিয়ান সাগরে। এর জেরে সমূদ্রগর্ভে তলিয়ে যেতে পারে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিস্তীর্ণ অংশ।

৪. প্লাবন: মহাকাশ গবেষক সংস্থা নাসার দেয়া তথ্য অনুসারে ২০৫০ সালের মধ্যে ভয়াবহ প্লাবনের কবলে পড়তে চলেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ব উপকূল।

৫. অরেগাঁওতে সুনামি: ২০৬৫ সালের মধ্যে সিসমোগ্রাফ যন্ত্রে আট থেকে নয় তীব্রতা নিয়ে সুনামি ধেয়ে আসতে পারে অরেগাঁওতে।

৬. পর্বতে অগ্ন্যুতপাত: জাপানের পার্বত্য অঞ্চলগুলোতে হতে পারে ভয়াবহ অগ্ন্যুৎপাত। এর জেরে মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে মানবকূলের।

৭. জাপানে জোড়া ভূমিকম্প: ২০২০ সালেই জোড়া ভূমিকম্পে কেঁপে উঠবে জাপান। গবেষকদের মতে রিখটার স্কেলে ২০২০ সালে জাপানে হওয়া জোড়া ভূমিকম্পের তীব্রতা থাকবে ৯।

৮. চিলিতে ভূমিকম্প: বিজ্ঞানীদের মতে ২০৬৫ সালের মধ্যে বহুবার ভয়াবহ ভূমিকম্পে কেঁপে উঠবে চিলি। এই ভূমিকম্পের তীব্রতা থাকবে গড়ে ৮.২। এর ফলে হতে পারে সুনামি।

৯. অগ্ন্যুৎপাত: বারোয়াবুঙ্গা নামক আগ্নেয় উপত্যকায় ঘটবে অগ্ন্যুৎপাত। যার ফলে আইসল্যান্ডের কাছে হতে পারে ভয়াবহ ভূমিকম্প। একবারে বড় ভূমিকম্প না হলেও কম সময়ের মধ্যে একাধিকার কেঁপে উঠতে পারে ওই এলাকার ভূমি।

২০. আমেরিকার দাবানল: হাভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ বিজ্ঞানীরা জানিয়েছে, ২০৫০ সালের মধ্যে বহু বার দাবানলের কবলে পড়বে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জঙ্গলগুলো। পরিসংখ্যান অনুসারে ওই দেশের জঙ্গলগুলোতে প্রতি বছর গড়ে ৩০ থেকে ৫০ হাজার দাবানল হতে পারে।

সূত্র: কলকাতা২৪