মাশরাফি ভাই বাংলাদেশ দলের প্রধানমন্ত্রী : তামিম ইকবাল

বাংলাদেশী ক্রিকেটারদের নিজেদের মধ্যে কতটা ভালোবাসা কতটা আবেগ জড়িয়ে আছে তা হয়তো তামিম ইকবালের লাইভ আড্ডা অনুষ্ঠান না দেখলে বুঝা যাবে না। তামিম ইকবালের লাইভ আড্ডার মাধ্যমে জানা গিয়েছে ক্রিকেটারদের মধ্যে কতটা বন্ধুত্বপূর্ণ ভালোবাসা রয়েছে। বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সদস্যদের নামের পাশে মাশরাফির দেওয়া আরো একটি নাম আছে। যেমন মুশফিকুর রহিমের নাম বান্টুদা।

তবে এই নামটা শুধু মাশরাফি ইউজ করেন। দলের বাকি সদস্যরা তাকে মুশি বলেই ডাকেন। এছাড়াও ইমরুল কায়েসকে ‘পটুদা’ বলে ডাকেন। আবার মাশরাফিকে কেউ বলেন ম্যাশ, কেউ বলেন পাগলা আবার কেউ গুরু বলে ডাকেন। তবে সতীর্থদের ভালোবেসেই এসব নামে ডাকেন মাশরাফি বিন মর্তুজা। বাংলাদেশের খ্যাতনামা ক্রীড়া সাংবাদিক নোমান মোহাম্মদের সঙ্গে লাইভে এসব কথা বলেছেন তামিম ইকবাল।

আলোচনাটা শুরু হয়েছিল জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের ডাকনাম নিয়ে। বিশেষ করে মুশফিকুর রহিম, ইমরুল কায়েসদের মজার মজার সব ডাকনামের দিকেই ইঙ্গিত করছিলেন সঞ্চালক নোমান মোহাম্মদ। জানতে চেয়েছিলেন, দলের ভেতরে তামিম বা আর কার কার এমন ডাকনাম রয়েছে।

এর জবাবে তামিম বলেন, ‘ড্রেসিংরুমে আমার কোনো ডাকনাম নেই সত্যি বলতে। মাশরাফি ভাই শুধু খানসাহেব বলেন মাঝে মাঝে। এটাই অনেকে বলেন। এর বাইরে আমার কোন ডাকনাম নেই।’

এছাড়া বাকিদের যতো মজার মজার ডাকনাম সেগুলো সব মাশরাফির দেয়া এবং মাশরাফি একাই ডাকেন সেসব নামে- এ কথাও জানান তামিম। তবে বাকিরা আবার একেকজনকে একেক নামে ডেকে থাকেন।

তামিম বলেন, ‘মুশফিকের ক্ষেত্রে মাশরাফি ভাই যেসব নাম (বান্টুদা) বলেছেন, ওগুলো কিন্তু শুধু মাশরাফি ভাই একাই ডাকেন। অন্য কেউ বলে না। আমরা সবাই মুশি ডাকি। ওর ডাকনাম বললে এই মুশিই আসবে। মাশরাফি ভাই কী কী আজব আজব নাম বলে, এগুলো শুধু উনার মুখ থেকেই বের হওয়া সম্ভব।’

কিন্তু মাশরাফি এমনটা বলেন, তাকে কেউ কিছু বলেন না? তখনই মাশরাফিকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আখ্যায়িত করে তামিম বলেন, ‘কাউকে কিছু বলতে দেশের প্রধানমন্ত্রীর কি কোনো লাইসেন্স লাগে? আমাদের দলের প্রধানমন্ত্রী উনি (মাশরাফি)। উনার যা মন চায় তাই বলতে পারেন।’

এসময় দলের অন্যান্য খেলোয়াড়দের মধ্যে কয়েকজনের ডাকনামের কথাও জানান তামিম, ‘রুবেল যখন প্রথম জাতীয় দলে আসলো, তখন আমরা ওকে মালি ডাকতাম। কারণ মালিঙ্গার মতো অ্যাকশন। মুমিনুলকে ডন বলে ডাকতেন চন্ডিকা হাথুরুসিংহে। ডন ব্র্যাডম্যান থেকে ডন। আমরাও অনেকসময় ডন ডন বলতাম।’