ম্যাচ খেলতে মুখিয়ে আছেন মুশফিক

নভেল করোনাভাই’রাসের দাপটে চার মাসেরও বেশি সময় ঘরবন্দী ছিলেন মুশফিকুর রহিম। লম্বা এই সময়ে ঘরে বসে স্রেফ ফিটনেস নিয়েই কাজ করেছেন। তবে বিসিবি’র ব্যবস্থাপনায় গত রোববার থেকে মিরপুর শের -ই-বাংলায় করেছেন ব্যক্তিগত অনুশীলন। এক সপ্তাহের অনুশীলন শেষে দারুণ তৃপ্ত লাল-সবুজের এই সেরা ব্যাটসম্যান‌ জানালেন, ম্যাচ খেলতে তিনি মুখিয়ে আছেন।

বলা বাহুল্য যে, দেশের করোনাভাই’রাস পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণপূর্বক এই মুহুর্তে ক্রিকেটারদের অনুশীলন ফেরানোর পক্ষপাতি ছিল না বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড-বিসিবি। লাল সবুজের ক্রিকেটের এই সর্বোচ্চ প্রশাসন সবসময়ই চাইছিল পরিস্থিতি আরো কিছুটা উন্নতি হলে তবেই। কিন্তু মুশফিকুর রহিমসহ জাতীয় দলে আসা-যাওয়ার মধ্যে থাকা আরও তিন ক্রিকেটারের প্রবল আগ্রহ দেখে করোনার চলতি পরিস্থিতির মধ্যেই তারা মিরপুর শের-ই-বাংলাসহ দেশের আরও তিন ভেনুতে ব্যক্তিগত অনুশীলন ফেরাতে উদ্যোগী হয়েছেন। যদিও ঢাকায় পরে এই সংখ্যাটি দুজন বেড়েছে।

যাহোক, এক সপ্তাহের অনুশীলনে মুশফিকুর রহিম ছিলেন দারুণ সপ্রতিভ। এবং সপ্তাহের প্রতিটি দিনের প্রতিটি সেশনই কাজে লাগিয়েছেন। বিসিবির সূচি অনুযায়ী ব্যাটিং, রানিং, জিম তো করেছেনই সুচির বাইরে গিয়েও ব্যক্তিগত উদ্যোগে সেরেছেন কিপিং অনুশীলন। এতে করে যথেষ্টই তৃপ্ত লাল-সবুজের এই ব্যাটিং কাণ্ডা’রী। এখন তিনি মুখিয়ে আছে মাঠের লড়াইয়ে ফিরতে।

‘এখন মুখিয়ে আছি মাঠের মানুষ যেহেতু মাঠেই ফিরতে পারি এবং ম্যাচ খেলতে পারি। একজন ক্রিকেটার হিসেবে আমরা যেন ফিটনেস ধরে রেখে, স্কিল নিয়ে কাজ করে মানসিকভাবে ফিট থাকতে পারি সেটা চেষ্টা করতে হবে। আমরা সে কাজগুলোই করছি। নিয়মিত কোচদের সাথে বসছি, অনলাইনে অনেক আলোচনা করছি। আমরা মনে করি সব মিলিয়ে সময়টা খারাপ যায়নি। পরিবারের সাথে ভালো একটা সময় কেটেছে। ‘

রোববার (২৬ জুলাই) প্রথম পর্বের ব্যক্তিগত অনুশীলনের শেষে বিসিবি’র পাঠানো হোয়াটসঅ্যাপের ভি’ডিওবার্তায় তিনি এ কথা বলেন। মুশফিক এসময় বিসিবিকে ধন্যবাদ জানান এমন সুন্দর ও পরিচ্ছন্ন অনুশীলন আয়োজনের জন্য। ‘বিসিবিকে অসংখ্য ধন্যবাদ তারা আমাকে এমন সুযোগ করে দিয়েছে। বিশেষ করে ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগকে, তারা এত সুন্দর করে পরিকল্পনামাফিক ৭-৮ দিন যাই অনুশীলন করেছি ভালো ছিল। ‘

প্রসঙ্গত মুশফিকুর রহিমকে সবশেষ ২২ গজের লড়াই দেখা গিয়েছিল ১৫ মার্চ। ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের ২০১৯-২০ মৌসুমের প্রথম রাউন্ডের খেলায় পারটেক্স স্পোর্টিং ক্লাবের বিপক্ষে ১২৪ বলে ১২৭ রানের অনবদ্য এক ইনিংস খেলেছিলেন আবাহনীর টপ অর্ডার ব্যাটসম্যান।-সারাবাংলা