অভিযোগ প্রমাণ হলে প্রদীপের বিরু’দ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা : আইনমন্ত্রী

ফাইল ছবি

টেকনাফ থা’নার সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাসের বিরু’দ্ধে ওঠা সব অনিয়ম ও বিচারবর্হিভূত হ’ত্যাকা’ণ্ডের অভিযোগ প্রমাণ হলে যথাযথ আই’নি ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। তিনি জানান, প্রদীপ কুমার দাসের বিরু’দ্ধে ওঠা সব অভিযোগ আলাদা তদন্ত করবে সরকার।

আর জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান ডক্টর মিজানুর রহমান মনে করেন, বিচারবর্হিভূত হ’ত্যাকা’ণ্ডের দায়, সরকার এড়াতে পারে না। কক্সবাজারে পুলিশের গু’লিতে অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মো. রাশেদ খান নিহ’ত হবার পর থেকেই আলোচনায় টেকনাফ থা’নার সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাশ। তার বিরু’দ্ধে একে একে উঠে আসছে অভিয়মের অসংখ্য অভিযোগ।

২৫ বছরের চাকরিজীবনের বেশিরভাগ সময় চট্টগ্রাম অঞ্চলের বিভিন্ন থানার দায়িত্বের ছিলেন প্রদীপ কুমার। টেকনাফ থা’নায় তার দুই বছরের মেয়াদে দেড় শতাধিক বন্দুকযু’দ্ধের ঘটনা। প্রতিদিনই দুর্নী’তি ও অনিয়মের নতুন নতুন অভিযোগ উঠছে তার বিরু’দ্ধে। যার সব কিছুই আমলে নিচ্ছে সরকার।

আ’ইন ও শালিস কেন্দ্রের জরিপ বলছে, গত ৬ মাসেই আই’নশৃঙ্খলা বাহিনীর হেফাজতে মৃ’ত্যু প্রায় দুইশো জনের। অপ’রাধ দ’মনে বিচারব’র্হিভূত হ’ত্যাকা’ণ্ড কোনো সমাধান নয় বলে মনে করেন জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান ড. মিজানুর রহমান। জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের দায়িত্বে থাকাকালে বিচারবর্হি’ভূত হ’ত্যাকা’ণ্ড বন্ধে সোচ্চার ভূমিকার রাখার চেষ্টা করেও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর সহযোগিতা না পাওয়ার কথা জানান ড. মিজানুর রহমান।

৩১ জুলাই রাতে কক্সবাজারের টেকনাফের সামলাপুরে পুলিশের গু’লিতে মা’রা যান অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ। হ’ত্যা মাম’লায় গ্রে’প্তার হয়েছেন ওসি প্রদীপ কুমার দাশ, বাহারছড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ লিয়াকতসহ ৭ জন।-ইন্ডিপেন্ডেন্ট নিউজ