পবিত্র আশুরা কবে, জানা যাবে কাল

১৪৪২ হিজরি সনের পবিত্র আশুরা কবে তা জানা যাবে আগামীকাল। মহররম মাসের চাঁদ দেখার সংবাদ পর্যালোচনাসহ আশুরার তারিখ নির্ধারণে বৃহস্পতিবার সন্ধ‌্যায় ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বায়তুল মোকাররম সভাকক্ষে বৈঠকে বসবে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি। এতে সভাপতিত্ব করবেন ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. নূরুল ইসলাম। বাংলাদেশের আকাশে কোথাও পবিত্র মহররম মাসের চাঁদ দেখা গেলে তা নিম্নোক্ত টেলিফোন ও ফ্যাক্স নম্বরে অথবা সংশ্লিষ্ট জেলার জেলা প্রশাসক অথবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানানোর জন্য অনুরোধ করেছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন।

টেলিফোন নম্বর: ৯৫৫৯৪৯৩, ৯৫৫৫৯৪৭, ৯৫৫৬৪০৭ ও ৯৫৫৮৩৩৭। ফ্যাক্স নম্বর: ৯৫৬৩৩৯৭ ও ৯৫৫৫৯৫১। ইসলামি বর্ষপঞ্জি তথা হিজরি সালে যে চারটি মাস মুসলমানদের দৃষ্টিতে সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ তার মধ্যে মহররম অন্যতম। ১০ মহররমকে বিশেষ মর্যাদার দৃষ্টিতে দেখে সেদিন নানা কর্মসূচি পালন করে মুসলিম উম্মাহ। নফল রোজাসহ নানা এবাদত-বন্দেগি করেন মুসলমানরা। আশুরা বা ১০ মহররম দিনটি মুসলমানদের কাছে নানা কারণে তাৎপর্যপূর্ণ। বিশেষ করে মুসলমানরা এই দিবসটি পালন করেন মূলত কারবালার প্রান্তরে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর দৌহিত্র হজরত ইমাম হোসাইন (রা.)–এর শাহাদতবরণের ঘটনার স্মরণে।

এই দিনে হজরত ইমাম হোসাইন (রা.) অন্যায় ও ষ’ড়য’ন্ত্রের বিরু’দ্ধে অবস্থান নিয়ে চক্রা’ন্তকারী ইয়াজিদ বাহিনীর হাতে কারবালা প্রান্তরে পরিবার-পরিজন ও ৭২ জন সঙ্গীসহ মর্মা’ন্তিকভাবে শাহাদতবরণ করেন। এই হ’ত্যাকা’ণ্ড ছিল অত্যন্ত নি’র্মম। অসহায় নারী ও শিশুদের পানি পর্যন্ত পান করতে দেয়নি ইয়াজিদ বাহিনী। ফলে এই দিনটি মুসলমানদের জন্য শোকের দিনও বটে।

এছাড়া প্রিয় নবী (সা.) নিজেই ১০ মহররম পালন করতেন। এর পেছনে নানা ধর্মীয় বিশ্বাস রয়েছে। ১০ মহররম পৃথিবী সৃষ্টি হয়েছে। বিভিন্ন নবীর আমলে এই দিনে অনেক ঘটনা ঘটেছে।-ঢাকাটাইমস