অবশেষে নেইমারদের কাঁদিয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শিরোপা জিতলো বায়ার্ন

অবশেষে থামলো পিএসজির রূপকথা। প্রথমবারের মতো ফাইনালে উঠলেও শেষ হাসি হাসার সুযোগ মিললো না নেইমার-এমবাপেদের। ন্যূনতম ব্যবধানে পিএসজিকে পরাজিত করে ষষ্ঠবারের মতো ইউরোপ শ্রেষ্ঠত্বের মুকুট নিজেদের করে নিলো জার্মান জায়ান্ট বায়ার্ন মিউনিখ। পর্তুগালের লিসবনের এস্তাদিও দা লুজ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হওয়া ফাইনালে দুই দলই শুরুতে কিছুটা সতর্ক থেকে খেলেছে। তবে দুই দলই বেশ কয়েকটা গোলের সুযোগ তৈরি করলেও প্রথমার্ধে কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখায় পায়নি।

ম্যাচের শুরুর দিকে জার্মান ক্লাবটির হাইপ্রেসে কিছুটা অস্থিতিশীল থাকলেও পরে পিএসজি নিজেদের গুছিয়ে নিয়েছে। শুরুর চাপ সামলে আক্রমনে ওঠে পিএসজিও! ১৪ আর ১৮তম মিনিটে দুইবার কিলিয়ান এমবাপে ও নেইমার বায়ার্নের গোলের সামনে চলে গিয়েছিলেন। এমবাপের শট ব্লকড হওয়ার পর নেইমারকে গোলবঞ্চিত করেছেন বায়ার্ন গোলরক্ষক ম্যানুয়েল ন্যুয়ার।

এর খানিকক্ষণ বাদে পিএসজিকেও কাঁপিয়ে দিয়েছিলেন বায়ার্ন গোল মেশিন রবার্ট লেভানদোস্কি। বক্সের ভেতর থেকে তার শট গিয়ে লেগেছে বারপোস্টে। লেভানদোস্কির গোলমুখী হেড আরেকবার ঠেকিয়ে দিয়েছেন কেইলর নাভাস। ৩৯ মিনিটে ওই পোলিশ স্ট্রাই’কারের ওই প্রচেষ্টার আগে আর পরে পিএসজি আরও কয়েকবার বায়ার্নের আক্র’মণে হানা দিয়েছিল।

আনহেল ডি মারিয়া দারুণ এক সুযোগ ন’ষ্ট করেছেন। বিরতির ঠিক আগে এমবাপে পয়েন্ট ব্ল্যাক রেঞ্জ থেকে মেরেছেন নয়্যারের হাতে। এই দুই সুযোগেই ছিল আন্ডার হেরেরার বড় অবদান।পিএসজি মিডফিল্ডার দারুণ খেলেছেন প্রথমার্ধে। নিজেও একবার গোলে শট করেছিলেন। প্রথমার্ধের শেষদিকে অবশ্য আরেকটু উত্তাপ বেড়েছিল। কিংসলে কোমান পেনাল্টির আবেদন করেছিলেন। তবে রেফারি তাতে সাড়া দেননি। ৫৯তম মিনিটে কিংসলে কোম্যানের গোলে এগিয়ে যায় বায়ার্ন মিউনিখ।

৬৯তম মিনিটে ডি মারিয়ার নিকট থেকে পাওয়া বল গোলমুখের উদ্দেশ্য শট করেন সেমিফাইনালের নায়ক মারকুইনহোস। কিন্ত এবারও তার প্রচেষ্টা রুখে দিয়ে বায়ার্নের ত্রাতার ভূমিকায় অবতীর্ণ হন ন্যুয়ার। বাকি সময়ে অনেক চেষ্টা করেও সমতা ফেরাতে পারেনি পিএসজি। অপরদিকে গোল করে ব্যবধানও আর বাড়ানো হয়নি বায়ার্নের।