বায়ার্নের শিরোপা উৎসবে কাঁদলেন নেইমার

লিসবনে খুব প্রয়োজনের সময় যেন গোল করতে পারলো না পিএসজি। দুই বড় ভরসা নেইমার-কিলিয়ান এমবাপে রইলেন নিজেদের ছায়া হয়ে। দুয়ারে গিয়েও ইতিহাস গড়া হলো না পিএসজির। ফরাসি চ্যাম্পিয়নদের হারিয়ে লিগে ষষ্ঠ শিরোপা জিতলো বায়ার্ন মিউনিখ। আর দুঃখ বেদনায় কাঁদো কাঁদো চোখে মাঠ ছাড়লেন নেইমাররা।

রোববার রাতে ফাইনালে পিএসজিকে ১-০ গোলের ব্যবধানে হারিয়ে ষষ্ঠবারের মতো ইউরোপের শ্রেষ্ঠত্বের মুকুট জয় করলো বায়ার্ন মিউনিখ। এদিন একমাত্র গোলটি করেন কিংসলে কোমান। নিজেদের ইতিহাসের প্রথম ফাইনাল খেলতে লিসবনে নেমেছিল পিএসজি। আর দুর্দান্ত বায়ার্নের সামনে কেবল সুযোগ মিসের মহড়া দিয়েছে নেইমার-এমবাপেরা। টুর্নামেন্ট জুড়ে দুর্দান্ত বায়ার্ন শিরোপা জিতল অপরাজিত থেকেই। বায়ার্ন যে রেকর্ড গড়ল তা নেই আর কারোরই।

এবারের পুরো টুর্নামেন্টে মোট ১১টি ম্যাচ খেলেছে বায়ার্ন মিউনিখ আর অবিশ্বাস্য হলেও সত্য সবগুলো ম্যাচেই শেষ হাসি বাভারিয়ানদের। আর ২০১৩ সালের পর আরো একবার ট্রেবল বাভারিয়ানদের ঘরে। হানসি ফ্লিকের বায়ার্ন লিসবন রাঙিয়েছে লাল রঙে, নেইমার-এমবাপেরা ধূসর হয়ে গেছেন তাদের কাছে। আর নিজেদের ১১তম ফাইনালে এসে ষষ্ঠ জয় তুলে নিয়ে লিভারপুলের সঙ্গে তৃতীয় সর্বোচ্চ ইউরোপিয়ান শ্রেষ্ঠত্ব ভাগাভাগি করেছে জার্মান চ্যাম্পিয়নরা।

আর এর আগে জার্মান জায়ান্টরা জিতেছিল পাঁচটি চ্যাম্পিয়নস লিগের শিরোপা। যার সর্বশেষটি এসেছিল ২০১২/১৩ মৌসুমের ফাইনালে বুরুশিয়া ডর্টমুন্ডকে হারিয়ে।