চ্যাম্পিয়নস লিগে হেরেও বায়ার্নের চেয়ে বেশি আয় পিএসজির

চ্যাম্পিয়নস লিগে বায়ার্ন মিউনিকের কাছে হেরেছে পিএসজি। রোববার রাতে ফাইনালে পিএসজিকে ১-০ গোলের ব্যবধানে হারিয়ে ষষ্ঠবারের মতো ইউরোপের শ্রেষ্ঠত্বের মুকুট জয় করলো বায়ার্ন মিউনিখ। তবে বায়ার্নের নিচে রানার্সআপ হয়েও এবারের চ্যাম্পিয়নস লিগ থেকে সবচেয়ে বেশি আয় হচ্ছে পিএসজিরই। সুইস র‌্যাম্বলের প্রাক্কলন অনুযায়ী এবারের (২০১৯-২০) চ্যাম্পিয়নস লিগ থেকে সর্বোচ্চ ১১৯.৭ মিলিয়ন পাউন্ড আয় হবে পিএসজির। চ্যাম্পিয়ন হয়েও আয়ের দিক থেকে বায়ার্ন দ্বিতীয়, তাদের আয় হবে ১১৭.৩ মিলিয়ন পাউন্ড।

কোয়ার্টার ফাইনালে বায়ার্নের কাছে ৮-২ গোলে বিধ্ব’স্ত হয়েও বার্সেলোনা আয়ের দিক থেকে তৃতীয়, ১০৪ মিলিয়ন পাউন্ড। ইউরোপের পাঁচ বড় লিগের শীর্ষ ১৩ দলের ক্লাব ক্রমানুসারের পরের দলগুলি হলো ম্যানচেস্টার সিটি (৮৯.৪ মিলিয়ন পাউন্ড), চেলসি (৭৩.১ মিলিয়ন পাউন্ড), লিভারপুল (৭২.২ মিলিয়ন পাউন্ড) ও টটেনহাম (৬২.৩ মিলিয়ন পাউন্ড)। দেশভেদে টিভি পুল থেকে প্রাপ্য অর্থের ব্যবধানের কারণেই বায়ার্ন মিউনিখের চেয়ে বেশি রাজস্ব পাবে পিএসজি। ২০১৮-১৯ মৌসুমের হিসেব ধরলে টিভি স্বত্ব থেকে এবার পিএসজি পাবে ২৪.৫ মিলিয়ন পাউন্ড যা বায়ার্নের চেয়ে ১৩.২ মিলিয়ন পাউন্ড বেশি।

টিভি স্বত্ব থেকে প্রাপ্তির এই ব্যবধানের কারণ চ্যাম্পিয়নস লিগে কম বা বেশি দলের অংশগ্রহণের সুযোগ পাওয়া। ফ্রান্স থেকে তিনটি দল সুযোগ পায় চ্যাম্পিয়নস লিগে, যেখানে জার্মানি, স্পেন, ইংল্যান্ড ও ইতালি থেকে সুযোগ পায় চারটি করে দল। যে দেশে বেশি দল সুযোগ পায় সে দেশের টিভি স্বত্ব ভাগ হয় বেশি। ‘বিগ ফাইভ’ লিগের মধ্যে (ইংল্যান্ড, ইতালি, স্পেন, জার্মানি ও ফ্রান্স) টিভি পুল আবার সবচেয়ে কম জার্মানিতে। কেননা জার্মানির ঘরোয়া প্রতিযোগিতায় টিভে স্বত্ব বন্টনের ক্ষেত্রে বৈষ’ম্য অনেক কম।

উদাহরণস্বরূপ, ২০১৮-১৯ মৌসুমে লিগ-১ জিতে পিএসজি পেয়েছে শতকরা ৪৫ ভাগ রাজস্ব (১২ মিলিয়ন পাউন্ড), যেখানে রানার্সআপ লিল পেয়েছে শতকরা ৩৫ ভাগ রাজস্ব (৯.৪ মিলিয়ন পাউন্ড)। বিপরীতক্রমে বুন্দেসলিগায় ২০১৮-১৯ মৌসুমে শতকরা ৪০ ভাগ রাজস্ব (৬.২ মিলিয়ন পাউন্ড) পেয়েছে বায়ার্ন, রানার্সআপ বরুসিয়া ডর্টমুন্ডের রাজস্ব শতকরা ৩০ ভাগ (৪.৭ মিলিয়ন পাউন্ড)।