খুশির ভেলায় ভেসে বার্সেলোনায় ফিরছেন কুতিনিয়ো

একেই বলে ভাগ্য! বার্সেলোনা যে দলটার কাছে ৮-২ গোলে হেরেছে, সেই বায়ার্ন মিউনিখের জার্সিতে চ্যাম্পিয়নস লিগ জিতেছেন ফিলিপে কুতিনিয়ো। ‘ভাগ্য’ প্রসঙ্গ কেন টেনে আনা হচ্ছে? ব্রাজিলিয়ান মিডফিল্ডারের ‘অরিজিনাল’ ক্লাব তো এই বার্সেলোনাই। ধারে জার্মান ক্লাবটিতে খেলতে গিয়ে ক্লাব ফুটবলের সর্বোচ্চ সাফল্যই সঙ্গী হয়েছে তার। আপাতত তার বায়ার্ন-অধ্যায় শেষ।

এখন চ্যাম্পিয়নস লিগ জয়ের সুখস্মৃতি সঙ্গী করে কুতিনিয়ো ফিরতে যাচ্ছেন কাতালান ক্লাবটিতে। ব্যর্থতার চোরাবালিতে আটকা পড়া বার্সেলোনায় কোচ বদল হয়েছে। কিকে সেতিয়েনকে ছেঁটে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে রোনান্ড কোম্যানকে। কুতিনিয়োর বার্সেলোনা ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে তার হাতেই। তাতে চ্যাম্পিয়নস লিগ জয়ী তারকার ভবিষ্যৎ আরেকবার ভাসতে শুরু করেছে বাতাসে।

বায়ার্নের ত্রিমুকুট জয়ী দলের সদস্য কুতিনিয়ো। খুব বেশি অবদান না থাকলেও বেশ কয়েকটি ম্যাচে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল তার। যদিও আলিয়েঞ্জ অ্যারেনায় তার থাকা হচ্ছে না। কেননা ম্যানচেস্টার সিটি থেকে লেরয় সানেকে নিয়ে আসায় সামনের মৌসুমে বায়ার্ন কোচ হান্স-ডিয়েটার ফ্লিকের পরিকল্পনায় তিনি নেই। ন্যু ক্যাম্পেই তাই ফিরতে হচ্ছে সাবেক লিভারপুল মিডফিল্ডারকে।

রবিবার লিসবনের ফাইনাল জেতার পর নিজের ভবিষ্যৎ প্রসঙ্গে কুতিনিয়ো বলেছেন, ‘অবশ্যই আমি বার্সেলোনায় ফিরে যাব। এরপর দেখা যাক কী হয়। এটা (ভবিষ্যৎ) নিয়ে সত্যি বেশি কিছু ভাবছি না। আমার শুধু ফাইনালেই নজর ছিল।’ গত মৌসুমে চ্যাম্পিয়নস লিগের শিরোপা জিতেছিল লিভারপুল। অথচ আগের মৌসুমেই ইংলিশ ক্লাবটি ছেড়ে এসেছিলেন কুতিনিয়ো। অলরেডদের ইউরোপসেরা হতে দেখে তার মন খারাপ হওয়াটা অস্বাভাবিক ছিল না। সেই আক্ষেপই তিনি জুড়ালেন বায়ার্নে একবছরের জন্য ধারে খেলতে গিয়ে।

লিসবনের ফাইনাল জেতার পর সে কারণেই হয়তো তার আনন্দটা একটু বেশি, ‘আমরা দারুণ একটি মৌসুম পার করলাম, আমরা ভীষণ খুশি। আমরা এটার দাবিদার ছিলাম, আর এর অনুভূতি আসলে অন্যরকম। এই অনুভূতি ভাষায় বর্ণনা করতে পারবো না।’

সূত্র: বাংলা ট্রিবিউন।