‘ক্লাবে যাওয়া বন্ধ হয়েছে, লকডাউনের শুরু থেকে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ার চেষ্টা করছি’

দেশের অন্যতম জনপ্রিয় অভিনেতা জাহিদ হাসান। দীর্ঘদিনের ক্যারিয়ারে দর্শকদের উপহার দিয়েছেন অনেক জনপ্রিয় নাটক। কাজ করেছেন বড় পর্দাতেও। নব্বইয়ের দশকের গোড়ার দিকে টিভি নাটকের নায়কদের মধ্যে তিনি শক্ত করে নিয়েছেন নিজের অবস্থান। নাটক, বিজ্ঞাপন ও বড় পর্দার পর এবারই প্রথম ওয়েব সিরিজে অভিনয় করছেন এই অভিনেতা। এবার নানা বিষয় নিয়ে নন্দিত এই তারকার সাথে কথা বললেন গণমাধ্যমের সাথে।

করোনার কারণে বেশ অনেক দিন শুটিং বন্ধ ছিলো। সম্প্রতি স্বাস্থ্যবিধি মেনে কাজ করতে বলা হয়েছে। আসলে আদৌ কি মানা সম্ভব? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, চাইলে সবই সম্ভব। আমরা স্বাস্থ্যবিধি মেনেই শূটিং করছি। সবাই মাস্ক পড়ে কাজ করছে। শূটিং ইউনিটে লোকজন কম। শূটিংয়ের আগে রুমগুলো পরিস্কার করে নিচ্ছে। শট দিয়েই হ্যান্ড স্যানিটাইজার দিয়ে হাত পরিস্কার করছে সবাই। নিরাপদে শূটিং করার জন্য ঢাকার দূরে খোলা পরিবেশে শূটিং করছি। সবাই দূরত্ব বজায় রেখে নিয়ম গুলো মেনে চলার চেষ্টা করছি। সবারই স্বাস্থ্যবিধি মেনে কাজ করা উচিত।

নিজে সচেতন হয়ে অন্যকে সচেতন করতে হবে। আমি সচেতন হলে আমার পরিবার নিরাপদ থাকবে। সবার সবার প্রতি সম্মান রাখতে হবে। তাহলেই এটি বাস্তবায়ন সম্ভব। দীর্ঘ দিনের ক্যারিয়ারের অনেক চরিত্রে দেখা গিয়েছে আপনাকে। তবে স্বপ্নের চরিত্র কি? জানতে চাইলে সহজ ভাবেই উওরে বলেন, ভালো চরিত্র করা। যে কোনো চরিত্রই চেষ্টা করি গল্পের মতো করে ফুঁটিয়ে তুলতে। সবার থেকে ভিন্ন ভাবে দেখানোর চেষ্টা করি। বরাবরই গল্পের ভিতর ঢুকে যাবার চেষ্টা থাকে। কতটুকু পারি দর্শক ভালো বলতে পারবেন।

করোনায় ঘরবন্দি থেকে কোনো অভ্যাস পরিবর্তন করতে পেরেছেন? এমন প্রশ্ন ছুঁড়ে দিলে এই অভিনেতা জানান, অনেক অভ্যাস পরিবর্তন হয়েছে। প্রতিদিন ক্লাবে যেতাম সেটি বন্ধ হয়েছে। মাঝে নামাজে অনিয়মিত ছিলাম করোনার কারণে ঘরবন্দি থেকে নামাজে নিয়মিত হয়েছি। লকডাউনের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত পাঁচ ওয়াক্ত নামাজই পড়ার চেষ্টা করছি। করোনা সবাইকে মানবিক হবার শিক্ষা দিয়েছি।

পরিচালনা ও প্রযোজনা নিয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ সময় অন্যদের কাজগুলো করবো। যে কাজগুলো কথা দেওয়া সেগুলো শেষ করবো। তাছাড়া মন মতো কাজ না হলে করবো না। ঈদে বেশ কিছু নাটক প্রচার হয়েছে। তারমধ্যে বেশ কয়েকটি নাটক থেকে ভালো দর্শক সাড়া পেয়েছি।