আইপিএল না খেলেই কেন দেশে ফিরলেন, অবশেষে মুখ খুললেন সুরেশ রায়না

আইপিএল না খেলে কেন তিনি দেশে ফিরে এসেছেন তা নিয়ে জো’র জ’ল্প’না তৈরি হয়েছিল৷ প্রথমে শোনা গিয়েছিল সিএসকে দলের কয়েকজন সদস্য করোনা আ’ক্রা’ন্ত হওয়াতেই দেশে ফিরে এসেছেন সুরেশ রায়না৷ পরে শোনা যায়, পাঞ্জাবে তার কাকার পরিবারের উপরে দু’ষ্কৃ’তী হা’নার ঘ’টনার জে’রেই তিনি দেশে ফিরেছেন৷

সবশেষে এমন খবরও ছড়িয়ে পড়ে, হোটেলের ঘর পছন্দ না হওয়াতেই টিম ম্যানেজমেন্টের সঙ্গে বিবা’দের জে’রেই আইপিএল থেকে নিজেকে স’রিয়ে নিয়েছেন রায়না৷ কারণ তিনি নাকি ধোনি যেমন ঘর পেয়েছেন, সেরকম ঘরেরই দাবি করেছিলেন, যা মা’নতে চায়নি টিম ম্যানেজমেন্ট৷ অবশেষে আইপিএল থেকে নিজেকে সরিয়ে নিয়ে দেশে ফেরার কারণ নিয়ে মুখ খুললেন সুরেশ রায়না৷

তার দাবি, সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত কারণে দেশে ফিরে এসেছেন তিনি৷ বাড়িতে এমন একটি জ’রু’রি পরি’স্থিতি তৈরি হয়েছিল যে না ফিরে উপায় ছিল না তার৷ একটি ক্রিকেট ওয়েবসাইটকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে রায়না বলেছেন, ”এটা একটা ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত এবং আমার পরিবারের জন্যই আমি ফিরে এসেছি৷ বাড়িতে এমন পরি’স্থিতি তৈরি হয়েছিল যে দেরি করার মতো সময় ছিল না৷”

সিএসকে যে দশটি মরশুম আইপিএলে খেলেছে, প্রত্যেকবার দলের অংশ ছিলেন রায়না৷ তিনি জানিয়েছেন, আরও চার থেকে পাঁচ বছর আইপিএল খেলতে চান তিনি৷ গত ১৫ অগাস্ট সন্ধ্যায় এম এস ধোনির সঙ্গেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর ঘোষণা করেন সুরেশ রায়না৷

রায়না দাবি করেছেন, আইপিএল না খেলে দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত নেওয়া অত্যন্ত ক’ঠি’ন ছিল৷ টিম ম্যানেজমেন্টের সঙ্গে ম’তবিরো’ধের খবরও উড়িয়ে দিয়েছেন বাঁ হাতি ব্যাটসম্যান৷ তিনি বলেছেন, ‘সিএসকে আমার পরিবারের মতো আর মাহি ভাইও আমার কাছে খুব গুরুত্বপূর্ণ একজন মানুষ৷ ফলে এই সিদ্ধান্তটা নেওয়া খুব ক’ঠি’ন ছিল৷ তবে সিএসকে এবং আমার মধ্যে কোনও সম’স্যা নেই৷’

আইপিএল না খেলা নিয়ে রায়না আরও বলেছেন, ‘এমনি এমনি কেউ সাড়ে ১২ কোটি টাকা প্র’ত্যাখ্যা’ন করে ফিরে আসবে না যদি না সেরকম গু’রু’তর কোনও সম’স্যা না হয়ে থাকে৷ আমি এখনও যথেষ্ট তরুণ এবং আরও চার- পাঁচ বছর আইপিএল খেলতে চাই৷’ তবে দলের মধ্যে করোনা সং’ক্র’মণ ছড়ানোতেই তিনি ফিরে এসেছেন কি না, সেই জ’ল্প’নাও উ’স্কে দিয়েছেন রায়না৷

ই’ঙ্গি’তপূর্ণ ভাবে তিনি বলেছেন, ‘আমার একটি পরিবার আছে৷ আর আমার যাতে কিছু না হয়, সেই বিষয়টি আমাকেই নি’শ্চি’ত করতে হবে৷ আমার কাছে আমার পরিবারই সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ৷ এই ক’ঠি’ন সময়ে আমিও খুব দু’শ্চি’ন্তায় রয়েছি৷ গত ২০ দিন ধ’রে আমি আমার সন্তানদের দেখিনি৷ দেশে ফিরলেও আমাকে কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হচ্ছে৷