নাটক শেষ! বার্সেলোনাতেই থাকছি, জানিয়ে দিলেন মেসি

বার্সেলোনা জানিয়ে দেয়, মেসি চাইলেই যেতে পারবেন না। কারণ মেসিকে যেতে হলে ৭০০ মিলিয়ন ইউরো পরিশোধ করেই তাঁকে দলবদল করতে হবে। সপ্তাহে দুই ধরে চলা আলোচনা-সমালোচনা,জল্পনা-কল্পনা সবই এবার শেষ হতে যাচ্ছে বোধ হয়। মেসি থাকছেন বার্সেলোনাতেই। তবে শুধুমাত্র তা এই মরশুমের জন্য। এমনটাই নিশ্চিত করেছিলেন লিওনেল মেসির বাবা হোর্হে মেসি। সেই কথাই শেষ পর্যন্ত সত্যি হতে চলেছে। আইনি জটিলতা কাটাতেই শেষ মুহূর্তে তবে কি সিদ্ধান্ত বদল করলেন এলএমটেন?

সব জল্পনা-কল্পনার অবসান। অবশেষে ২০২০-২১ মরশুম বার্সার হয়ে খেলবেন লিওনেল মেসি। চুক্তি শেষ করতেই স্প্যানিশ ক্লাবটিতে থেকে যাচ্ছেন আর্জেন্টাইন সুপারস্টার। ২৫ অগাস্ট ফ্যাক্স বার্তায় বার্সেলোনাকে মেসি জানান তিনি আর ক্লাবে থাকতে চান না। মেসির বার্সা ছাড়ার খবর প্রকাশ হতেই ইউরোপের সেরা ক্লাবগুলি মেসিকে দলে টানতে আসরে নামে। জল্পনা শুরু হয়ে যায়।

এদিকে বার্সেলোনা জানিয়ে দেয়, মেসি চাইলেই যেতে পারবেন না। কারণ মেসিকে যেতে হলে ৭০০ মিলিয়ন ইউরো পরিশোধ করেই তাঁকে দলবদল করতে হবে। বার্সার এই বাই আউট ক্লজের সঙ্গে একমত লা লিগা কর্তৃপক্ষও। যদিও দু’পক্ষের এমন অবস্থানের পর শুক্রবার মেসির বাবা হোর্হে মেসি এক বিবৃতিতে জানায়, লা লিগা কর্তৃপক্ষ যে পর্যালোচনা করছে সেটা ভুল।

Goal.com-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মেসি বলেন, “আমি যখন আমার পরিবারকে বার্সা ছাড়ার কথা জানাই তখন তারা কান্নায় ভেঙে পড়ে। আমার বাচ্চারা স্কুল বদলাতে চায় না। তাদের স্কুল এবং বন্ধুদের ছাড়তে চায় না তারা। এই ক্লাব আমার জীবন। আমি এখানেই তৈরি হয়েছি। বার্সা আমাকে সব দিয়েছে। আমি কখনও চাইনি বার্সেলোনা আমার জন্য আদালতে উঠে আসুক। এই জন্যই আমি এখানে থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।”

পাশাপাশি মেসি আরও বলেন, “আমি বার্সেলোনাকে ভালোবাসি। আমার পরিবার আমার সন্তানরা এখানেই বেড়ে উঠছে । তবুও সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার আমার আছে। আমি নতুন লক্ষ্য এবং নতুন চ্যালেঞ্জ নিতে চাচ্ছিলাম। তবে আগামিকাল ফিরে যাব, কারণ বার্সেলোনাই আমার সব।” সেইসঙ্গে ক্লাব প্রেসিডেন্ট জোসেপ মারিয়া বার্তামেউয়ের বিরু’দ্ধে গুরুতর অভিযোগ এনেছেন মেসি। ক্লাব নাকি তাঁর প্রতিশ্রুতি রাখে নি এমনই মেসির বক্তব্যে উঠে এসেছে।

তিনি বার্সা ছাড়ার কথা গোটা মরশুম ধরেই বলে আসছিলেন বার্তামেউকে। তিনি জানান, মরশুম শেষে এই নিয়ে আলোচনা হবে। কিন্তু কোনও আলোচনাই করেননি তিনি।