টেস্টে সেরা ছয়ে আসার সামর্থ্য আছে আমাদের : মুশফিক

সীমিত ওভারের ক্রিকেটে যেখানে সাফল্যের গ্রাফটা ঊর্ধ্বমুখী, সেখানে উল্টো চিত্র টেস্টে। এই ফরম্যাটটা কোনভাবেই আয়ত্তে আসতে পারছে না বাংলাদেশ দল। তবে মুশফিকুর রহিম অবশ্য আশার বাণী শোনাচ্ছেন। তিনি বিশ্বাস করেন, সেরা ছয়ে আসার মত সামর্থ্য রাখে সাদা জার্সিধারী টাইগাররা।

পরিসংখ্যান আর মাঠের পারফরম্যান্স বিচারে অন্য দুই ফরম্যাটের থেকে টেস্টে ঢের পিছিয়ে বাংলাদেশ দল। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ৫ দিনের ক্রিকেটে ছাড়পত্র পাওয়ার ২০ বছর পাড়ি দিলেও ঘরের মাঠে কয়েকটা ম্যাচ জয় ছাড়া উল্লেখ করার মত তেমন কোনো সাফল্য খুঁজে পায়নি লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।

সদ্য প্রকাশিত র‌্যাংকিংয়েও বেহাল দশা বাংলাদেশের। রেটিং পয়েন্টে নবাগত আফগানিস্তানেরও পিছে পড়ে গেছে মুমিনুল হকের দল। মোটে ২ বছর টেস্ট খেলা আফগানদের রেটিং পয়েন্ট যেখানে ৫৭, সেখানে সর্বসাকুল্যে ৫৫ রেটিং পয়েন্ট বাংলাদেশের। তবে বর্তমান পরিস্থিতি যেমনই হোক, এই ফরম্যাটে নিজেদের সেরা ছয়ে উঠার সম্ভাবনা আছে বলে জানান বাংলাদেশ দলের উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান মুশফিক।

এ প্রসঙ্গে এক বিবৃতিতে মিস্টার ডিপেন্ডেবল বলেন, ‘আমি সত্যিই বিশ্বাস করি, দল হিসেবে আরও অনেক কিছু অর্জনের বাকি আছে। সামর্থ্যবান খেলোয়াড় থাকা সত্ত্বেও গত ২০ বছরে আমরা সেভাবে অর্জন করতে পারিনি। তবে অন্তত ঘরের মাঠে আমাদের পারফরম্যান্স ক্রমশ উপরের দিকে যাচ্ছে।’

মুশফিক আরো বলেন, ‘বাইরে ভালো করা নিয়েই আমাদের দুশ্চিন্তা। সামনে অনেক বড় চ্যালেঞ্জ অপেক্ষা করছে। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপও অনেক বড় চ্যালেঞ্জ আমাদের জন্য। টেস্টে সেরা ছয়ে আসার মত সামর্থ্য আমাদের আছে।’

র‌্যাংকিংয়ে দলীয় উন্নতি হলে ব্যক্তিগতভাবেও সাফল্য আসবে বলে জানান মুশফিক, ‘করোনাভাই’রাস না আসলে আমাদের ঘরের মাঠে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিরিজ ছিল। নিউজিল্যান্ড বা অস্ট্রেলিয়ার সাথে টেস্ট সিরিজ ছিল। তাছাড়া ওয়েস্ট ইন্ডিজও আছে। বড় দলই সবাই, দুইটা দলকে আমরা অতীতে হারিয়েছি। আমরা যদি শীর্ষ-৬ এর মধ্যে থাকতে পারি তাহলে কয়েকজন খেলোয়াড়কেও খেলোয়াড়দের র‌্যাংকিংয়ে শীর্ষ দশে দেখতে পারবেন।’