টি-২০ ক্রিকেটে একটি নতুন নিয়ম যুক্ত করতে চান শেন ওয়ার্ন

অন্তত ৫ বোলারকে দিয়ে বোলিং করাতে হবে, সীমিত ওভারে ক্রিকেটের নিয়ম এটিই। এমনকি ওভার কমে এলেও মানা হয় সেটিই। তবে টি-টোয়েন্টিতে এই নিয়মের পরিবর্তন চান শেন ওয়ার্ন। তার পরামর্শ, একজনক বোলারকে ৫ ওভার করে করতে দেওয়া হোক।

টি-টোয়েন্টি ব্যাটসম্যানদের পক্ষের খেলা, এমন উল্লেখ করে ওয়ার্ন বলেছেন, ব্যাট-বলের ভারসাম্য ফিরিয়ে আনতে এমন করা দরকার। শুরুতে ফ্রন্টলাইনের বোলারকে বাড়তি এক ওভার, বা মাঝের ওভারগুলিতে স্পিনারকে দিয়ে বাড়তি ওভার করানোর নিয়ম থাকা উচিৎ বলে মনে করেন তিনি।

“চার বোলার পাঁচ ওভার করলে কেমন হয়?”, স্কাই স্পোর্টসের কমেন্ট্রিতে বলেছেন স্পিন-জাদুকর। ৪ বোলার, ৫ ওভার করে (করতে পারলে) আমার মনে হয় ব্যাট-বলের প্রতিদ্বন্দ্বিতাটা বাড়বে তখন। আপনার সেরা বোলারটি যতো বেশি বোলিং করুক সেটাই চাইবেন, আর টি-টোয়েন্টি তো ব্যাটসম্যানদের পক্ষের খেলা।

“আর্চার-উডের মতো বোলার থাকলে আপনি তাদেরকে বাড়তি ১ ওভার দিতেই চাইবেন। তাদেরকে ৫ ওভার করতে দিলে ভাল হবে না? আপনি চাইলেই ৮ জন বোলার ব্যবহার করতে পারেন, তবে তারা ৫ ওভার করতে পারুক, আমি এটা দেখতে চাই। আদিল রশিদ যদি মাঝের ওভারগুলিতে ৫ ওভার করতে পারে, তাহলে সেটা স্পিনের বিপক্ষে ব্যাটসম্যানদের ভাল একটা লড়াই হবে।”

এতে করে ‘বিটস-অ্যান্ড-পিসেস’ ক্রিকেটারদের সংখ্যা কমবে বলেও মনে করেন তিনি, ফলে দলের সেরা ব্যাটসম্যান বা বোলারকে (একাদশের কম্বিনেশন বজায় রাখতে বাদ না দিয়ে) নেওয়া যাবে। ওয়ার্নের পরামর্শ নিয়ে তার কমেন্ট্রিতে সহকর্মী ও সাবেক ইংল্যান্ড অধিনায়ক মাইকেল আথারটনের মত, এটির সুবিধা-অসুবিধা দুটিই আছে, “অবশ্যই চমকপ্রদ একটা আইডিয়া।

ক্রিকেটের ব্যাপারে সবসময়ই শেনের একটা দারুণ কল্পনাশক্তি আছে। “আমি আসলে অসুবিধা ভাবতে চাচ্ছিলাম। এটা কি জেনুইন অলরাউন্ডারের বিপক্ষে চলে যাবে? অবশ্য সুবিধাটা দেখতে পাচ্ছি। এটা নতুন মাত্রা দেবে, বক্স-অফিস ক্রিকেটারদের ম্যাচে আরও প্রভাব রাখার সুযোগ দেবে।”

আরেকজন কমেন্টেটর ইয়ান ওয়ার্ডের মতে, এতে করে অলরাউন্ডারের প্রভাব কমবে না, “অলরাউন্ডারের অবশ্যই ভূমিকা থাকবেই, যদি কোথাও কারও ক্ষেত্রে ভুল হয়েও যায়। বেন স্টোকস বা আর্চার আপনার দলে থাকলে সবসময়ই একটা ‘প্রেশার বাল্ব’ থাকে, যদি ঠিকঠাক নাও হয় ব্যাপারটা।”